প্রিয়াঙ্কার স্মৃতিচারণ
সময়ের স্রোতে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও কিছু মুহূর্ত থাকে, যেগুলো ফিরে তাকালে আজও হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তেমনই এক বছর ছিল ২০১৬— যে বছরটিকে নিজের ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন বলিউড ও হলিউডের আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ স্মৃতিচারণামূলক পোস্টে তিনি সেই ঘটনাবহুল সময়ের দিকে ফিরে তাকান, যাকে তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন— ‘সবকিছু একসঙ্গে ঘটে যাওয়ার বছর’ হিসেবে।
২০১৬ সালে প্রিয়াঙ্কার পেশাগত জীবন পৌঁছেছিল এক অনন্য উচ্চতায়। বলিউডে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী। রাষ্ট্রপতি ভবনে এই সম্মান গ্রহণের মুহূর্ত আজও তার কাছে গর্বের স্মৃতি। প্রিয়াঙ্কার ভাষায়, এই পুরস্কার ছিল ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার বছরের পর বছরের কাজের একটি গভীর স্বীকৃতি।
একই সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উজ্জ্বল হয়ে উঠছিল তার উপস্থিতি। ২০১৬ সালেই তিনি আমন্ত্রণ পান হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে। সেখানে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অভিজ্ঞতাকে তিনি
সময়ের স্রোতে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও কিছু মুহূর্ত থাকে, যেগুলো ফিরে তাকালে আজও হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তেমনই এক বছর ছিল ২০১৬— যে বছরটিকে নিজের ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন বলিউড ও হলিউডের আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ স্মৃতিচারণামূলক পোস্টে তিনি সেই ঘটনাবহুল সময়ের দিকে ফিরে তাকান, যাকে তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন— ‘সবকিছু একসঙ্গে ঘটে যাওয়ার বছর’ হিসেবে।
২০১৬ সালে প্রিয়াঙ্কার পেশাগত জীবন পৌঁছেছিল এক অনন্য উচ্চতায়। বলিউডে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী। রাষ্ট্রপতি ভবনে এই সম্মান গ্রহণের মুহূর্ত আজও তার কাছে গর্বের স্মৃতি। প্রিয়াঙ্কার ভাষায়, এই পুরস্কার ছিল ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার বছরের পর বছরের কাজের একটি গভীর স্বীকৃতি।
একই সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উজ্জ্বল হয়ে উঠছিল তার উপস্থিতি। ২০১৬ সালেই তিনি আমন্ত্রণ পান হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে। সেখানে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অভিজ্ঞতাকে তিনি আখ্যা দেন ‘অবিশ্বাস্য’ হিসেবে। তার কাছে এটি ছিল শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার মুহূর্ত।
এ বছরেই আমেরিকান টেলিভিশনে প্রিয়াঙ্কার অভিষেক ঘটে জনপ্রিয় সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’র মাধ্যমে। সিরিজটি দ্রুতই দর্শকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আমেরিকার কোনো নেটওয়ার্ক ড্রামায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা প্রথম দক্ষিণ এশীয় নারী হিসেবে তিনি ইতিহাস গড়েন। এ সিরিজে অভিনয়ের জন্য তিনি জিতে নেন পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ড, যা তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও দৃঢ় করে।
চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের পাশাপাশি ফ্যাশন ও গ্ল্যামার দুনিয়াতেও ২০১৬ ছিল প্রিয়াঙ্কার জন্য স্মরণীয়। ৮৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে উপস্থাপক হিসেবে হাজির হয়ে সাদা রঙের জুহাইর মুরাদ গাউনে অস্কারের লাল গালিচায় হাঁটার মুহূর্তটি আজও তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আইকনিক দৃশ্য হিসেবে বিবেচিত। সেই উপস্থিতি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার শক্ত অবস্থানের স্পষ্ট ঘোষণা।
বর্তমান সময়ে এসেও থেমে নেই প্রিয়াঙ্কার ব্যস্ততা। ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন তার আসন্ন অ্যাকশন থ্রিলার ‘দ্য ব্লাফ’-এর জন্য, যা সরাসরি অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাবে। পাশাপাশি তার ঝুলিতে রয়েছে আরও বড় প্রকল্প—এর মধ্যে অন্যতম এসএস রাজামৌলি পরিচালিত ও মহেশ বাবু অভিনীত নতুন ছবি ‘বারানসী’।
সব মিলিয়ে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাসের জীবনে ২০১৬ ছিল এমন এক অধ্যায়, যেখানে পরিশ্রম, স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক সাফল্য—সবকিছু একসঙ্গে এসে তাকে গড়ে তুলেছিল একজন সত্যিকারের গ্লোবাল আইকনে।