প্রেমের টানে পার হন সীমান্ত, এক মাস পর চোখের জলে বিদায়
প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) পেরিয়ে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) বাসিন্দা জিশান আহমদ মির। তবে এক মাসের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আবারও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা শনিবার জানান, উরির কামান পোস্ট দিয়ে জিশানকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জিশান উরির পাঙ্কেদি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ৩১ মে প্রেমিকা ইরাম মজিদের সঙ্গে দেখা করতে এলওসি পেরিয়ে ভারতের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে প্রবেশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটে তাদের পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। সেদিনই ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, উরি সেক্টরে এক ‘অনুপ্রবেশকারীকে’ আটক করা হয়েছে। পরে তদন্তে সেনাবাহিনী নিশ্চিত হয়, তার কোনো শত্রুতামূলক উদ্দেশ্য ছিল না; তিনি শুধুই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন। সীমান্তবর্তী সিলিকোট এলাকায় সেনাবাহিনী তাকে আটক করে। পরে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে মামলা করে এবং বারামুল্লা কারাগারে পাঠায়। তিন দিন আগে মামলায়
প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) পেরিয়ে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) বাসিন্দা জিশান আহমদ মির। তবে এক মাসের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আবারও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা শনিবার জানান, উরির কামান পোস্ট দিয়ে জিশানকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জিশান উরির পাঙ্কেদি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ৩১ মে প্রেমিকা ইরাম মজিদের সঙ্গে দেখা করতে এলওসি পেরিয়ে ভারতের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে প্রবেশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটে তাদের পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।
সেদিনই ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, উরি সেক্টরে এক ‘অনুপ্রবেশকারীকে’ আটক করা হয়েছে। পরে তদন্তে সেনাবাহিনী নিশ্চিত হয়, তার কোনো শত্রুতামূলক উদ্দেশ্য ছিল না; তিনি শুধুই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন।
সীমান্তবর্তী সিলিকোট এলাকায় সেনাবাহিনী তাকে আটক করে। পরে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে মামলা করে এবং বারামুল্লা কারাগারে পাঠায়। তিন দিন আগে মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে আদালত তা গ্রহণ করে মামলার কার্যক্রম শেষ করে। এরপর তার দেশে ফেরার প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জিশানকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে কামান পোস্টে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দেশে ফেরার আগে ইরাম ও তার পরিবারের সদস্যদের কয়েক মিনিটের জন্য জিশানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়।
ইরাম বলেন, আমরা মাত্র দুই থেকে তিন মিনিট তার সঙ্গে দেখা করতে পেরেছি। সে কিছুই বলেনি, শুধু কেঁদেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জিশানকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানি সেনাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
এমএসএম
What's Your Reaction?