ফতুল্লায় অভিযানের নামে সোনা চুরির অভিযোগ, বরখাস্ত দুই পুলিশসহ কারাগারে ৪
ফতুল্লায় অভিযানের নামে সোনা চুরির অভিযোগ, বরখাস্ত দুই পুলিশসহ কারাগারে ৪
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে একটি বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্য ও পুলিশের দুই সোর্সকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খায়রুল বাশার, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার কনস্টেবল মো. আফিকুল ইসলাম এবং পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত মিরাজ ইসলাম ও মো. রানা।
রোববার (৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।এ ছাড়া ফতুল্লা থানা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২ জুলাই শহরের জামতলা ধোপাপট্টি এলাকায় সুমা আক্তারের বাড়িতে মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে সাদা পোশাকে অভিযান চালান খায়রুল বাশার ও আফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ রয়েছে, তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দুই সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যান। অ
ফতুল্লায় অভিযানের নামে সোনা চুরির অভিযোগ, বরখাস্ত দুই পুলিশসহ কারাগারে ৪
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে একটি বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্য ও পুলিশের দুই সোর্সকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খায়রুল বাশার, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার কনস্টেবল মো. আফিকুল ইসলাম এবং পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত মিরাজ ইসলাম ও মো. রানা।
রোববার (৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।এ ছাড়া ফতুল্লা থানা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলমও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২ জুলাই শহরের জামতলা ধোপাপট্টি এলাকায় সুমা আক্তারের বাড়িতে মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে সাদা পোশাকে অভিযান চালান খায়রুল বাশার ও আফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ রয়েছে, তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দুই সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যান। অভিযানের সময় বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় সুমা আক্তার বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর এসআই খায়রুল বাশার, কনস্টেবল আফিকুল ইসলাম এবং দুই সোর্স মিরাজ ইসলাম ও রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সীর সই করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খায়রুল বাশার ও কনস্টেবল আফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ফতুল্লা থানা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে ২ জুলাই বিকেলে সাদা পোশাকে অভিযানে গেলে স্থানীয় লোকজন দুই পুলিশ সদস্য ও তাদের সঙ্গে থাকা দুই সোর্সকে আটক করে। পরে তাদের মারধর করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।