ফতুল্লায় ‘গ্যাস বিস্ফোরণ’ : দগ্ধ গৃহকর্তা মারা গেছেন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তা কালাম চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান সেখানকার চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। এর আগে, রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লা গিরিদারা এলাকার এলাকার একটি বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পাঁচজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তাদের ‘আশঙ্কাজনক’ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। ৪৭ বছর বয়সি কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। একই হাসপাতালে তার স্ত্রী সালমা (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে কথা (৫) ও মুন্নি (১০) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০, কথার ৫২ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়েছে। কালাম পেশায় সবজি বিক্রেতা, তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। উদ্ধারকারী রাকিব জানান, ভোরের দিকে বাসার সামনে থেকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। দগ্ধ সালমা বেগমের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে কালাম রান্নাঘরে চুল

ফতুল্লায় ‘গ্যাস বিস্ফোরণ’ : দগ্ধ গৃহকর্তা মারা গেছেন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তা কালাম চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান সেখানকার চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।

এর আগে, রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লা গিরিদারা এলাকার এলাকার একটি বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পাঁচজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তাদের ‘আশঙ্কাজনক’ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।

৪৭ বছর বয়সি কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। একই হাসপাতালে তার স্ত্রী সালমা (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে কথা (৫) ও মুন্নি (১০) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০, কথার ৫২ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়েছে।

কালাম পেশায় সবজি বিক্রেতা, তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।

উদ্ধারকারী রাকিব জানান, ভোরের দিকে বাসার সামনে থেকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধ সালমা বেগমের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে কালাম রান্নাঘরে চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিকট শব্দে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরে। পরে প্রাণ বাঁচাতে কোনো রকমে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow