ফরিদপুরে অর্ধশত ঢাল পুড়িয়ে গ্রাম্য বিরোধের অবসান

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধের অবসান ঘটেছে এক সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে। উপজেলার চার গ্রামের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মীমাংসা করেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত সালিশ বৈঠকে এ সমঝোতা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামিরদি ইউপি চেয়ারম্যান খোকন মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াবে না বলে অঙ্গীকার করে। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংঘর্ষে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র-ঢাল, সড়কি, রামদা ও চাইনিজ কুড়াল স্বেচ্ছায় জমা দেন সংশ্লিষ্টরা। পরে উপস্থিত জনতার সামনে প্রায় অর্ধশতাধিক ঢাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এসময় ওই এলাকার সাবেক মেম্বার বাবর আলী ও সাধু গ্রুপের সদস্যরা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে বিরোধ মীমাংসার ঘোষণা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্যের মধ্যস্থতায় এক সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াবে না বলে

ফরিদপুরে অর্ধশত ঢাল পুড়িয়ে গ্রাম্য বিরোধের অবসান

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দীর্ঘদিনের গ্রাম্য বিরোধের অবসান ঘটেছে এক সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে। উপজেলার চার গ্রামের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মীমাংসা করেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত সালিশ বৈঠকে এ সমঝোতা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামিরদি ইউপি চেয়ারম্যান খোকন মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াবে না বলে অঙ্গীকার করে। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংঘর্ষে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র-ঢাল, সড়কি, রামদা ও চাইনিজ কুড়াল স্বেচ্ছায় জমা দেন সংশ্লিষ্টরা। পরে উপস্থিত জনতার সামনে প্রায় অর্ধশতাধিক ঢাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এসময় ওই এলাকার সাবেক মেম্বার বাবর আলী ও সাধু গ্রুপের সদস্যরা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে বিরোধ মীমাংসার ঘোষণা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্যের মধ্যস্থতায় এক সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াবে না বলে অঙ্গীকার করে। পরে সংঘর্ষে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র-ঢাল, সড়কি, রামদা ও চাইনিজ কুড়াল স্বেচ্ছায় জমা দেন। পরে উপস্থিত জনতার সামনে প্রায় অর্ধশতাধিক ঢাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এ ঘটনায় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে এবং এক পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

এন কে বি নয়ন/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow