ফরিদপুরে ঝোপের আড়ালে মিললো থানা থেকে লুট হওয়া গ্রেনেড-কার্তুজ

ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি অংশ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ এবং ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ সদৃশ বস্তু রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে র‍্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ফরিদপুর শহরের বিএডিসি অফিসের দক্ষিণ পাশের প্রাচীরের বাইরে, চরকমলাপুরগামী সড়কের পাশের একটি ঝোপঝাড়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগের ভেতর এসব গোলাবারুদ পাওয়া যায়। র‍্যাবের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড ও কার্তুজগুলো গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের সরঞ্জামের অংশ। র‌্যাব জানায়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’কে কেন্দ্র করে একদল দুষ্কৃতিকারী দেশের বিভিন্ন থানায় একযোগে হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নেয়। পরবর্তীতে এসব অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ায় সারাদেশে জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। র‍্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম

ফরিদপুরে ঝোপের আড়ালে মিললো থানা থেকে লুট হওয়া গ্রেনেড-কার্তুজ

ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি অংশ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ এবং ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ সদৃশ বস্তু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে র‍্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ফরিদপুর শহরের বিএডিসি অফিসের দক্ষিণ পাশের প্রাচীরের বাইরে, চরকমলাপুরগামী সড়কের পাশের একটি ঝোপঝাড়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগের ভেতর এসব গোলাবারুদ পাওয়া যায়। র‍্যাবের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড ও কার্তুজগুলো গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের সরঞ্জামের অংশ।

র‌্যাব জানায়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’কে কেন্দ্র করে একদল দুষ্কৃতিকারী দেশের বিভিন্ন থানায় একযোগে হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নেয়। পরবর্তীতে এসব অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ায় সারাদেশে জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

র‍্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত গ্রেনেডগুলো ধাতব লিভার সংযুক্ত এবং অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছিল, যা জননিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিরুদ্ধে যে-কোনো ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রতিরোধে র‍্যাব সর্বদা প্রস্তুত এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow