ফরিদপুরে যুবলীগ নেতাসহ আটক ২
ফরিদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থনে মিছিল বের করার ঘটনায় যুবলীগ নেতা খসরু ও আনন্দ ফকিরকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় স্থানীয়রা তাদের আটক করে খবর দিলে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি ফোর্স তাদের থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার শিথীল জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে মশাল মিছিলের পর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যুবলীগ নেতা খসরু টাকা দিয়ে বিন্দুপাড়ার জেলে সম্প্রদায়ের কিছু ছেলেদের ব্যবহার করে মিছিল বের করে। খসরুকে জিজ্ঞাসাবাদে তার সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।
শাহরিয়ার বলেন, যুবলীগ নেতা খসরুর সঙ্গে টেলিগ্রাম গ্রুপে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। জেলার সভাপতি শামীম হকের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিলো। শামীম হকের এক আত্মীয় তাদের সঙ্গে এ সমন্বয় করতো।
শিথীল বলেন, কমলাপুরের হাতকাটা আক্তার মাছের পোনার ব্যবসা করার সুবাদে বিন্দুপাড়ার মাছ ব্যবসায়ী আনন্দ ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। মাছ বিক্রির কথা বলে তারা বিন্দুপাড়ার কিছু দরিদ্র ছেলেপেলেদের ডেকে এনে হাতে মশাল
ফরিদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থনে মিছিল বের করার ঘটনায় যুবলীগ নেতা খসরু ও আনন্দ ফকিরকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় স্থানীয়রা তাদের আটক করে খবর দিলে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি ফোর্স তাদের থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার শিথীল জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে মশাল মিছিলের পর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যুবলীগ নেতা খসরু টাকা দিয়ে বিন্দুপাড়ার জেলে সম্প্রদায়ের কিছু ছেলেদের ব্যবহার করে মিছিল বের করে। খসরুকে জিজ্ঞাসাবাদে তার সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।
শাহরিয়ার বলেন, যুবলীগ নেতা খসরুর সঙ্গে টেলিগ্রাম গ্রুপে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। জেলার সভাপতি শামীম হকের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিলো। শামীম হকের এক আত্মীয় তাদের সঙ্গে এ সমন্বয় করতো।
শিথীল বলেন, কমলাপুরের হাতকাটা আক্তার মাছের পোনার ব্যবসা করার সুবাদে বিন্দুপাড়ার মাছ ব্যবসায়ী আনন্দ ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। মাছ বিক্রির কথা বলে তারা বিন্দুপাড়ার কিছু দরিদ্র ছেলেপেলেদের ডেকে এনে হাতে মশাল ধরিয়ে দিয়ে এই মিছিল করে। এ ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে আমরা এই মিছিলের অর্থ জোগানদাতাসহ সব তথ্য জানতে পেরেছি।
জানা গেছে, এর আগে রোববার শহরের টেপাখোলা সরকারি ইয়াছিন কলেজের সামনে জড়ো হয়ে ১০-১৫ যুবক মশাল জ্বালিয়ে মিছিল বের করে। মিছিল কিছু দূর এগোনোর পর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল তাদের ধাওয়া করলে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনার পর শহরে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল পাল্টা মিছিল বের করে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ট্রাকের পাশে তারা একে একে মশাল জ্বালিয়ে ব্যানার সহকারে মিছিল শুরু করে। এ সময় তারা ‘জয়বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ভয় নাই-রাজপথ ছাড়ি নাই’ এমন বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
শাহরিয়ার শিথীল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মিছিলে অংশগ্রহণকারী সবাই বিন্দু সম্প্রদায়ের ছোট ছোট শিশু। এরা কেউ জানতোই না তারা কোথায় যাচ্ছে কিংবা কোনো অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে কিনা! সামান্য টাকার লোভ দেখিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে মিছিলে নিয়ে আসা হয়। এতেই প্রমাণিত হয় আওয়ামী লীগ এখন দেউলিয়াত্বের সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের কোনো নেতাকর্মী নেই, তাদের ভাড়াটে মাদক ব্যবসায়ী এবং নিম্ন সম্প্রদায়ের অভাবগ্রস্ত লোকদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে এখন দল চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আজমির হোসেন বলেন, কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থনে শহরে মশাল মিছিল করার অভিযোগে আমরা দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারব।