ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

ফরিদপুরের মধুখালিতে স্ত্রীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।‎‎বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদ মোল্লা মধুখালী উপজেলার গদাধরদী গ্রামের মো. কোহেল ঠাকুরের ছেলে। ‎মামলার নথি ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, আসামি যৌতুকের জন্য মাঝে মধ্যে তাহার স্ত্রীকে মারপিট করতেন। ২০১৬ সালের ২১ মার্চ আসামি যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর করে ঘরের মধ্যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মধুখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ‎আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। সুস্থ সমাজে এটি কাম্য নয়। আজকের এ র

ফরিদপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

ফরিদপুরের মধুখালিতে স্ত্রীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

‎বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদ মোল্লা মধুখালী উপজেলার গদাধরদী গ্রামের মো. কোহেল ঠাকুরের ছেলে।

‎মামলার নথি ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, আসামি যৌতুকের জন্য মাঝে মধ্যে তাহার স্ত্রীকে মারপিট করতেন। ২০১৬ সালের ২১ মার্চ আসামি যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর করে ঘরের মধ্যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মধুখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

‎আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। সুস্থ সমাজে এটি কাম্য নয়। আজকের এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

এন কে বি নয়ন/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow