ফাঁকা বাসায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রতিবেশী সুমন গ্রেপ্তার
পাবনার সাঁথিয়ায় ফাঁকা বাড়িতে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশীকে মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) ভোর রাতে বেড়া বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুমন (৩০) উপজেলার সলঙ্গি গ্রামের সাত্তারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সলঙ্গি গ্রামের ১২ বছর বয়সী শিশু নিজ ঘরে একা অবস্থান করছিল। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা কাজের উদ্দ্যেশে ঢাকার সাভারে ছিলেন। এসময় শিশুটির মা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুবাদে বাড়িটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে প্রতিবেশী সুমন ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত অ্যাকশনে নামে সাঁথিয়া থানা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (বেড়া সার্কেল) সার্বিক দিকনির্দেশনায় সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম একটি বিশেষ টিম গঠন করে অভিযান শুরু করেন। পরে ঘটনার মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে বেড়া বাজার এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগ পাওয়া
পাবনার সাঁথিয়ায় ফাঁকা বাড়িতে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশীকে মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) ভোর রাতে বেড়া বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সুমন (৩০) উপজেলার সলঙ্গি গ্রামের সাত্তারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সলঙ্গি গ্রামের ১২ বছর বয়সী শিশু নিজ ঘরে একা অবস্থান করছিল। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা কাজের উদ্দ্যেশে ঢাকার সাভারে ছিলেন। এসময় শিশুটির মা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুবাদে বাড়িটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে প্রতিবেশী সুমন ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত অ্যাকশনে নামে সাঁথিয়া থানা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (বেড়া সার্কেল) সার্বিক দিকনির্দেশনায় সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম একটি বিশেষ টিম গঠন করে অভিযান শুরু করেন। পরে ঘটনার মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে বেড়া বাজার এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা আসামিকে আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ তৎপরতা চালাই। মাত্র ৬ ঘণ্টার এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরাধীদের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দেন এ কর্মকর্তা।
What's Your Reaction?