ফাইনালে এনজোর লাল কার্ডই কি ডোবাল আর্জেন্টিনাকে?

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। এরপর অতিরিক্ত সময়ে একজন কম নিয়ে খেলতে হয় আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচ শেষে তাই প্রশ্ন উঠেছে, এই লাল কার্ডই কি শেষ পর্যন্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের আগে অবশ্য স্পেনই দাপট দেখাচ্ছিল। তবে মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনার খেলার ছন্দ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন। যোগ করা সময়ে নিকো উইলিয়ামসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ফলে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে। এনজো মাঠ ছাড়ার পর আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই স্পেনের দখলে চলে যায়। রদ্রি, পেদ্রি এবং মিকেল মেরিনো বলের দখল বাড়িয়ে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে একজন কম নিয়ে খেলায় আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের ওপরও চাপ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরোসহ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বেশি পরিশ্রম করতে হয়। ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তির ছাপও স্পষ্ট হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা

ফাইনালে এনজোর লাল কার্ডই কি ডোবাল আর্জেন্টিনাকে?
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। এরপর অতিরিক্ত সময়ে একজন কম নিয়ে খেলতে হয় আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচ শেষে তাই প্রশ্ন উঠেছে, এই লাল কার্ডই কি শেষ পর্যন্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের আগে অবশ্য স্পেনই দাপট দেখাচ্ছিল। তবে মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনার খেলার ছন্দ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন। যোগ করা সময়ে নিকো উইলিয়ামসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ফলে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে। এনজো মাঠ ছাড়ার পর আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই স্পেনের দখলে চলে যায়। রদ্রি, পেদ্রি এবং মিকেল মেরিনো বলের দখল বাড়িয়ে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে একজন কম নিয়ে খেলায় আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের ওপরও চাপ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরোসহ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বেশি পরিশ্রম করতে হয়। ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তির ছাপও স্পষ্ট হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে। এই চাপের মধ্যেই ম্যাচের ১০৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেররান তোরেস গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন। শেষ দিকে লিওনেল মেসি কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও সমতায় ফেরা সম্ভব হয়নি আর্জেন্টিনার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow