ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়

ডাম্বুল্লায় সিরিজের শুরুটাই একপ্রকার একতরফা করে রাখল পাকিস্তান। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের ঝরঝরে হাফসেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা। বুধবার রাঙ্গিরি ডাম্বুল্লা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ১৯.২ ওভারে মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তানের বোলাররা। জবাবে ১২৯ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান পেরিয়ে যায় ১৬.৪ ওভারে, হাতে থাকে ২০ বল। লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। সাইম আইয়ুবকে সঙ্গে নিয়ে পাওয়ারপ্লেতেই গড়ে তোলেন ৫৯ রানের জুটি। আইয়ুব ১৮ বলে ২৪ রান করে ফিরলেও ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন ফরহান। ৩৬ বলে ৫১ রানের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও দুটি ছক্কা। অধিনায়ক সালমান আলী আগা করেন ১১ বলে ১৬ রান। মাঝপথে ফখর জামান দ্রুত ফিরলে খানিকটা চাপ তৈরি হলেও শেষ দিকে উইকেটকিপার উসমান খান ও অলরাউন্ডার শাদাব খান ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করেন। শাদাব অপরাজিত থাকেন ১২ বলে ১৮ রান করে; উসমান খান ১৩ বলে ৭ রান নিয়ে সঙ্গ দেন। এর আগে বল হাতে পাকিস্তানের সাফল্যের ভিত্তি

ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়

ডাম্বুল্লায় সিরিজের শুরুটাই একপ্রকার একতরফা করে রাখল পাকিস্তান। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের ঝরঝরে হাফসেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

বুধবার রাঙ্গিরি ডাম্বুল্লা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ১৯.২ ওভারে মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তানের বোলাররা। জবাবে ১২৯ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান পেরিয়ে যায় ১৬.৪ ওভারে, হাতে থাকে ২০ বল।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। সাইম আইয়ুবকে সঙ্গে নিয়ে পাওয়ারপ্লেতেই গড়ে তোলেন ৫৯ রানের জুটি। আইয়ুব ১৮ বলে ২৪ রান করে ফিরলেও ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন ফরহান। ৩৬ বলে ৫১ রানের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও দুটি ছক্কা। অধিনায়ক সালমান আলী আগা করেন ১১ বলে ১৬ রান।

মাঝপথে ফখর জামান দ্রুত ফিরলে খানিকটা চাপ তৈরি হলেও শেষ দিকে উইকেটকিপার উসমান খান ও অলরাউন্ডার শাদাব খান ঠাণ্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করেন। শাদাব অপরাজিত থাকেন ১২ বলে ১৮ রান করে; উসমান খান ১৩ বলে ৭ রান নিয়ে সঙ্গ দেন।

এর আগে বল হাতে পাকিস্তানের সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দেন স্পিনার আবরার আহমেদ ও পেসার সালমান মির্জা—দুজনই নেন তিনটি করে উইকেট। শাদাব খান ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র নেন দুটি করে উইকেট। শাদাবের ফিগার ছিল ৪ ওভারে ২৫ রানে ২ উইকেট।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে শুরুতেই ধাক্কা লাগে। পাথুম নিশাঙ্কা ও কামিল মিশারা দ্রুত ফিরলে পাওয়ারপ্লেতেই স্কোর দাঁড়ায় ১৫/২। এরপর কুশল মেন্ডিস ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও ইনিংস গতি পায়নি। একমাত্র লড়াই করেন জানিথ লিয়ানাগে—৩১ বলে ৪০ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোরার হন।

শেষ দিকে অধিনায়ক দাসুন শানাকা (১২) ও লোয়ার অর্ডার বড় অবদান রাখতে ব্যর্থ হলে শ্রীলঙ্কা থামে ১২৮ রানেই।

এই জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। একই মাঠে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow