ফার্নান্দেজের শততম অ্যাসিস্ট, অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়ে তৃতীয় ম্যানইউ

অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোববার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করে নিয়েছে রেড ডেভিলরা। এই ম্যাচে দুটি গোলের সহায়তা করেন ফার্নান্দেজ, যা তাকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০০তম অ্যাসিস্টের মাইলফলকে পৌঁছে দেয়। একই সঙ্গে চলতি মৌসুমে তার অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬টিতে। এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দেন ক্লাব কিংবদন্তি ডেভিড ব্যাকহ্যামের ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে করা ১৫ অ্যাসিস্টের রেকর্ড। ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে গোল করেন ক্যাসেমিরো, ম্যাথিয়াস কুনহা এবং বদলি হিসেবে নেমে বেনজামিন সেসকো। অন্যদিকে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রস বার্কলে। এই জয়ের ফলে ভিলার চেয়ে তিন পয়েন্ট এগিয়ে গেল ইউনাইটেড এবং শীর্ষ চারে থাকার সম্ভাবনাও আরও জোরালো হলো। অন্যদিকে কোচ উনাই এমেরি- এর দলের সাম্প্রতিক ছন্দপতন অব্যাহত থাকল। প্রথমার্ধে কিছুটা আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা। ইউনাইটেডের আক্রমণে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি হলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তারা। এদিকে ভিলাও পাল্টা আক্রমণে বিপজ

ফার্নান্দেজের শততম অ্যাসিস্ট, অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়ে তৃতীয় ম্যানইউ

অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোববার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করে নিয়েছে রেড ডেভিলরা।

এই ম্যাচে দুটি গোলের সহায়তা করেন ফার্নান্দেজ, যা তাকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০০তম অ্যাসিস্টের মাইলফলকে পৌঁছে দেয়। একই সঙ্গে চলতি মৌসুমে তার অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬টিতে। এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দেন ক্লাব কিংবদন্তি ডেভিড ব্যাকহ্যামের ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে করা ১৫ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।

ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে গোল করেন ক্যাসেমিরো, ম্যাথিয়াস কুনহা এবং বদলি হিসেবে নেমে বেনজামিন সেসকো। অন্যদিকে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রস বার্কলে।

এই জয়ের ফলে ভিলার চেয়ে তিন পয়েন্ট এগিয়ে গেল ইউনাইটেড এবং শীর্ষ চারে থাকার সম্ভাবনাও আরও জোরালো হলো। অন্যদিকে কোচ উনাই এমেরি- এর দলের সাম্প্রতিক ছন্দপতন অব্যাহত থাকল।

প্রথমার্ধে কিছুটা আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা। ইউনাইটেডের আক্রমণে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি হলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তারা। এদিকে ভিলাও পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক হয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল। এক পর্যায়ে দারুণ ট্যাকল করে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন ইউনাইটেডের তরুণ ডিফেন্ডার লেনি ইওরো।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫৩ মিনিটে ফার্নান্দেজের নেওয়া কর্নার থেকে কাছের পোস্টে হেড করে গোল করেন ক্যাসেমিরো। গোল করার পর উচ্ছ্বাসে ক্লাবের ব্যাজ দেখিয়ে উদযাপন করেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।

তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি ইউনাইটেড। ৬৪ মিনিটে বাম দিক থেকে লুকাস ডিগনের ক্রস থেকে জোরালো শটে সমতা ফেরান বার্কলে। গোলটি বাতিল হবে কি না তা দেখতে দীর্ঘ সময় ভিডিও সহকারী রেফারির সাহায্য নিতে হয়।

গোল হজমের পর আবারও আক্রমণে ঝাঁপায় ইউনাইটেড। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অধিনায়ক ফার্নান্দেজ অসাধারণ একটি পাস দেন। সেই বল ধরে নিচু শটে গোল করে দলকে আবার এগিয়ে দেন কুনহা।

এরপর শেষ দিকে বদলি হিসেবে নামেন সেসকো। মাঠে নেমেই দারুণ তৎপরতা দেখান এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ৮১ মিনিটে বক্সের ভেতর পাওয়া একটি ঢিলে বল জোরে শট নিলে তা ডিফেন্ডার টাইরোন মিঙসের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়।

ফলে ৩–১ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই জয়ের ফলে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় খেলার পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow