ফাল্গুনেও তেঁতুলিয়ায় কনকনে শীত

1 month ago 27

প্রকৃতিতে এখন ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটেছে। শুকনো পাতা ঝরে জন্ম নিয়েছে নতুন কচি পাতার। তবে ফাল্গুনের শুরুতেই কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। বিশেষ করে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবছর এখানে শীতের তীব্রতা বেশি হয়ে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। বেশ কয়েকদিন আগে ঘন কুয়াশার সঙ্গে কনকনে শীত অব্যাহত রয়েছে এ জেলায়। বর্তমানে হিমেল ঠান্ডা হাওয়ায় বেড়েছে শীতের মাত্রা। 

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টায় ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিস। এর আগে শুক্রবার এ জেলায় ১১.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছিল।

সরেজমিনে সকালে ঘুরে দেখা গেছে, হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল ঠান্ডা বাতাস আর কনকনে শীতে জীবন-জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষের ভোগান্তি একটু বেশি। যে যার সাধ্যমতো গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে বের হচ্ছে নিজ গন্তব্যে। বিগত কয়েক দিন আগে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনজীবন কাহিল হয়ে পড়েছে এ জেলায়। টানা কয়েকদিন ধরে ক্রমশই কমেছিল রাতের তাপমাত্রা। প্রতিনিয়তই হচ্ছে তাপমাত্রার ছন্দপতন। কিছুটা বেড়েছে শীতের দাপট।

অপরদিকে তীব্র শীতে অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়েছে ব্যস্ততম সড়ক ও হাটবাজারগুলো। দিনের বেলা সূর্যের দেখা না মিললেও ঠান্ডা বিরাজমান। ভোরে কুয়াশা থাকার কারণে বিভিন্ন সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলোকে চলাচল করতে দেখা গেছে। এদিকে শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, হিমালয় অঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমশীতল কনকনে ঠান্ডা বাতাসে তেঁতুলিয়ায় ঠান্ডা অব্যাহত রয়েছে। আজ (রোববার) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ।

Read Entire Article