ফাস্ট ফুডের যুগেও শিশুর প্লেটে সবজি রাখার কৌশল

আজকের শিশুদের খাদ্যাভ্যাস পুরোপুরি বদলে গেছে। রঙিন প্যাকেট, মজাদার স্বাদ আর সহজ প্রাপ্যতার কারণে বার্গার, পিজা বা অন্যান্য ফাস্ট ফুড তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছে। কিন্তু এই নতুন রুচির সঙ্গে যে সমস্যা যুক্ত, তা হলো শিশুর দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় প্রয়োজনীয় সবজি ও পুষ্টি ক্রমশ কমে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্বাভাবিক শক্তিতে। তাহলে প্রশ্ন আসে, কীভাবে এই ফাস্ট ফুডের যুগেও শিশুকে নিয়মিতভাবে সবজি খাওয়ানো সম্ভব? উত্তরটা বড় জটিল নয় সৃজনশীলতা আর পরিচিত স্বাদের সংমিশ্রণেই নিহিত। অনেকে চেষ্টা করেন জোর করে সবজি খাওয়ানোর, কিন্তু অধিকাংশ শিশু এতে আগ্রহী হয় না। এমনভাবে জোর করা বরং খাবারের প্রতি তাদের বিরক্তি তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে সহজ ও কার্যকর সমাধান হলো ‘ভেজ স্প্রেড’ তৈরি করা। এটি রুটি, পাউরুটি বা স্যান্ডউইচের সঙ্গে মিশিয়ে শিশুদের খাওয়ানো যায়, ফলে তারা বুঝতেই পারে না যে আসলে তারা সবজি খাচ্ছে। আরও পড়ুন: জীবনযাত্রার ভুলেই বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি শীতের ক্লান্তি দূর করবে কোয়েলের ডিম এই পদ্ধতিতে শিশুর দৈনন্দিন পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়, তাদের স

ফাস্ট ফুডের যুগেও শিশুর প্লেটে সবজি রাখার কৌশল

আজকের শিশুদের খাদ্যাভ্যাস পুরোপুরি বদলে গেছে। রঙিন প্যাকেট, মজাদার স্বাদ আর সহজ প্রাপ্যতার কারণে বার্গার, পিজা বা অন্যান্য ফাস্ট ফুড তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছে। কিন্তু এই নতুন রুচির সঙ্গে যে সমস্যা যুক্ত, তা হলো শিশুর দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় প্রয়োজনীয় সবজি ও পুষ্টি ক্রমশ কমে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্বাভাবিক শক্তিতে।

তাহলে প্রশ্ন আসে, কীভাবে এই ফাস্ট ফুডের যুগেও শিশুকে নিয়মিতভাবে সবজি খাওয়ানো সম্ভব? উত্তরটা বড় জটিল নয় সৃজনশীলতা আর পরিচিত স্বাদের সংমিশ্রণেই নিহিত।

অনেকে চেষ্টা করেন জোর করে সবজি খাওয়ানোর, কিন্তু অধিকাংশ শিশু এতে আগ্রহী হয় না। এমনভাবে জোর করা বরং খাবারের প্রতি তাদের বিরক্তি তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে সহজ ও কার্যকর সমাধান হলো ‘ভেজ স্প্রেড’ তৈরি করা। এটি রুটি, পাউরুটি বা স্যান্ডউইচের সঙ্গে মিশিয়ে শিশুদের খাওয়ানো যায়, ফলে তারা বুঝতেই পারে না যে আসলে তারা সবজি খাচ্ছে।

আরও পড়ুন:

এই পদ্ধতিতে শিশুর দৈনন্দিন পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়, তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও শক্তি বজায় থাকে এবং খাবারের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। শিশুরা ধীরে ধীরে সবজি সম্পর্কে আগ্রহী হতে শেখে এবং ভীতি বা বিরক্তি দূর হয়।

ফাস্ট ফুড পুরোপুরি এড়িয়ে চলা এখন কঠিন হলেও, পরিচিত খাবারের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর উপাদান মিশিয়ে শিশুকে পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া সম্ভব। স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই বজায় রেখে এই সমাধান আধুনিক অভিভাবকদের জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পথ। সৃজনশীলভাবে উপাদানগুলো ব্যবহার করলে, এই ফাস্ট ফুডের যুগেও শিশুদের সুস্থ ও সবল রাখা সহজ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: ইউনিসেফের চাইল্ড নিউট্রিশন রিপোর্ট ২০২৫

জেএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow