ফিলিপনগর হামলা: এনপিএ’র ঘটনাস্থল পরিদর্শন, বিচার দাবি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে দরবার শরিফে সংঘটিত হামলা ও পীর আব্দুর রহমান শামিম হত্যার ঘটনায় নেটওয়ার্ক ফর পিপলস একশন (এনপিএ)-এর একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) এনপিএ’র সদস্য অনিক রায় ও মেঘ মল্লার বসু সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিনিধি দল জানায়, ঘটনার পর এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে এবং ভয়ের কারণে মামলা করতে পারছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এনপিএ জানায়, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই হামলার প্রস্তুতি শুরু হয় এবং পরদিন বৈঠকের মাধ্যমে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। পরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়। যেখানে পাশের এ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে দরবার শরিফে সংঘটিত হামলা ও পীর আব্দুর রহমান শামিম হত্যার ঘটনায় নেটওয়ার্ক ফর পিপলস একশন (এনপিএ)-এর একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) এনপিএ’র সদস্য অনিক রায় ও মেঘ মল্লার বসু সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন।
পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিনিধি দল জানায়, ঘটনার পর এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে এবং ভয়ের কারণে মামলা করতে পারছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এনপিএ জানায়, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই হামলার প্রস্তুতি শুরু হয় এবং পরদিন বৈঠকের মাধ্যমে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। পরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়। যেখানে পাশের এলাকার লোকজনও অংশ নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
এনপিএ’র মতে, এমন একটি গুরুতর ও পরিকল্পিত ঘটনার পরও তদন্তে ধীরগতি এবং গ্রেপ্তার না থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এতে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে এবং ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সংগঠনটি জোর দিয়ে বলেছে, ভুক্তভোগী পরিবারকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে দ্রুত মামলা গ্রহণ করতে হবে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে।
এনপিএ আরও জানায়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকবে এবং বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?