ফিল্মি কায়দায় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গ্রেপ্তার ২

বগুড়ায় মহাসড়কে ফিল্মি কায়দায় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।  বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিণ শাকতুলী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মোসাদ্দের আলী ওরফে মোহন (৩০) এবং নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার রামদেবপুর গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে ইউনুস আলী (৩৫)। তাদের ডিবি পুলিশের সহায়তায় ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বগুড়া সদর এলাকার বারোপুর ফ্লাইওভার থেকে মাটিডালী বিমান মোড় পর্যন্ত তাণ্ডব চালায়। তারা ওই এলাকায় একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও এমআর ব্রাদার্স ডিস্ট্রিবিউশন হাউসে প্রবেশ করে কর্মীদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে ফেলে। ডাকাতরা সেখান থেকে নগদ ৪৩ হাজার ৩৮২ টাকা, একটি লাইসেন্সকৃত শটগান ও ১০ রাউন্ড কার্তুজ লুট করে পালি

ফিল্মি কায়দায় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গ্রেপ্তার ২

বগুড়ায় মহাসড়কে ফিল্মি কায়দায় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিণ শাকতুলী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মোসাদ্দের আলী ওরফে মোহন (৩০) এবং নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার রামদেবপুর গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে ইউনুস আলী (৩৫)। তাদের ডিবি পুলিশের সহায়তায় ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বগুড়া সদর এলাকার বারোপুর ফ্লাইওভার থেকে মাটিডালী বিমান মোড় পর্যন্ত তাণ্ডব চালায়। তারা ওই এলাকায় একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও এমআর ব্রাদার্স ডিস্ট্রিবিউশন হাউসে প্রবেশ করে কর্মীদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে ফেলে।

ডাকাতরা সেখান থেকে নগদ ৪৩ হাজার ৩৮২ টাকা, একটি লাইসেন্সকৃত শটগান ও ১০ রাউন্ড কার্তুজ লুট করে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, ডাকাতির খবর পেয়ে টহল পুলিশ ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদের ধাওয়া করে। কুয়াশার কারণে একবার ডাকাতরা আড়ালে চলে গেলেও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পুলিশ ট্রাকটি পুনরায় শনাক্ত করে। পুলিশ পিছু নিলে ডাকাতরা মহাস্থানগড়ের দিকে পালাতে থাকে। এ সময় তারা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ধাতব বস্তু ছুড়তে থাকে।

একপর্যায়ে পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি এলাকায় ডাকাতরা ট্রাক ঘুরিয়ে পুলিশের পিকআপকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। ধাওয়ার মুখে ডাকাতরা ট্রাক ফেলে পাশের জঙ্গলে পালিয়ে যায়।

পরে পরিত্যক্ত ট্রাকটি তল্লাশি করে পুলিশ লুট হওয়া শটগান, ৪টি গুলি, ৪টি হাসুয়া, ১টি চাকু, গ্যাস সিলিন্ডার ও কাটার সরঞ্জাম (অক্সিজেন ও গ্যাসসহ), লোহার পাইপ, ৫টি রশি এবং ৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর জানান, এ চক্রটি একটি কুখ্যাত আন্তঃজেলা ডাকাত দল। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় মামলা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow