ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, বিএনপি কর্মী আটক
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ফুটপাতে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বরুড়া উপজেলার ঝলম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্তের নাম খোকন ওরফে ‘জুয়াড়ি লেংড়া খোকন’। তিনি সদর দক্ষিণের বারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বিজয়পুর বাজারে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। বারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দলের কোনো পদধারী নেতা নন; তিনি একজন কর্মী। এ ধরনের জঘন্য ও নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। বিজয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিন বলেন, অভিযুক্তকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাকে আটক করা সম্ভব হলে সঙ্গে সঙ্গে
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ফুটপাতে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বরুড়া উপজেলার ঝলম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্তের নাম খোকন ওরফে ‘জুয়াড়ি লেংড়া খোকন’। তিনি সদর দক্ষিণের বারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বিজয়পুর বাজারে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।
বারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দলের কোনো পদধারী নেতা নন; তিনি একজন কর্মী। এ ধরনের জঘন্য ও নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
বিজয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিন বলেন, অভিযুক্তকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাকে আটক করা সম্ভব হলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। পরে শনিবার সন্ধ্যায় জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা শেষে তাকে রোববার (৫ জুলাই) কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হবে।
সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় শনাক্ত, তার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?