ফুটবলকে বিদায় বলে দিলেন অস্ট্রেলিয়ান স্ট্রাইকার

অস্ট্রেলিয়ার স্ট্রাইকার মিচ ডিউক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা তার ক্যারিয়ারের ইতি ঘটল। এই ফুটবলার ‘সকারুস’দের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলেছেন। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ওই বিশ্বকাপে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে হেডের মাধ্যমে করা তার গোলটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গোলে ১২ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপে দেশটির প্রথম জয় নিশ্চিত করেছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বেও অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নিতে ডিউক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গত বছর বাছাইপর্বের ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। তবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে টুর্নামেন্টের জন্য চূড়ান্ত দলে জায়গা পাননি তিনি। অবসর ঘোষণায় ডিউক বলেন, অনেক চিন্তাভাবনার পর, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার সময় এসেছে। অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা এক শিশু হিসেবে আমার স্বপ্ন ছিল অন্তত একবার হলেও সেই সবুজ-সোনালি জার্সি গায়ে জড়ানোর। দেশের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়াটা যেন ৫০ বার স্বপ্নপূরণের মতো ব্যাপার। এটি এমন এক বিশেষ সম্মান যা আমি কখনোই হালকা

ফুটবলকে বিদায় বলে দিলেন অস্ট্রেলিয়ান স্ট্রাইকার

অস্ট্রেলিয়ার স্ট্রাইকার মিচ ডিউক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা তার ক্যারিয়ারের ইতি ঘটল। এই ফুটবলার ‘সকারুস’দের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলেছেন। ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

ওই বিশ্বকাপে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে হেডের মাধ্যমে করা তার গোলটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গোলে ১২ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপে দেশটির প্রথম জয় নিশ্চিত করেছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বেও অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নিতে ডিউক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গত বছর বাছাইপর্বের ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। তবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে টুর্নামেন্টের জন্য চূড়ান্ত দলে জায়গা পাননি তিনি।

অবসর ঘোষণায় ডিউক বলেন, অনেক চিন্তাভাবনার পর, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার সময় এসেছে। অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা এক শিশু হিসেবে আমার স্বপ্ন ছিল অন্তত একবার হলেও সেই সবুজ-সোনালি জার্সি গায়ে জড়ানোর। দেশের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়াটা যেন ৫০ বার স্বপ্নপূরণের মতো ব্যাপার। এটি এমন এক বিশেষ সম্মান যা আমি কখনোই হালকাভাবে দেখিনি।

এই ফুটবলার আরও বলেন, সব স্মৃতিই আমার কাছে অমূল্য, তবে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে গোল করার মুহূর্তটি আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। সকারুসদের জার্সি গায়ে জড়ানো এবং আমাদের জাতির প্রতিনিধিত্ব করাটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow