ফেনীতে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন, তাপমাত্রা ৯.৯ ডিগ্রি
ফেনীতে তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে ফেনীর জনজীবন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, আগামী কয়েক দিন শীতের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের আওতা বাড়তে পারে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বের হচ্ছে না। হিমেল হাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। রিকশাচালকরা জীবিকার প্রয়োজনে বের হলেও যাত্রী না পেয়ে অনেককে জবুথবু হয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। অনেক চালককে দিনের বেলাও গাড়ির হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে। পথচারী আইয়ুব বলেন, এমন শীত পড়েছে, যে ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর। শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানা রোগ বালাই। জ্বর-সর্দি ও কাশিসহ নানা ধরনের অসুখ হচ্ছে। বৃদ্ধ আবুল খায়ের বলেন, যে শীত পড়েছে, তাতে বাঁচাই দায়। একে তো ডায়াবেটিস, এর জন্য সকালে হাঁটত
ফেনীতে তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে ফেনীর জনজীবন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, আগামী কয়েক দিন শীতের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের আওতা বাড়তে পারে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বের হচ্ছে না। হিমেল হাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। রিকশাচালকরা জীবিকার প্রয়োজনে বের হলেও যাত্রী না পেয়ে অনেককে জবুথবু হয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। অনেক চালককে দিনের বেলাও গাড়ির হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে।
পথচারী আইয়ুব বলেন, এমন শীত পড়েছে, যে ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর। শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নানা রোগ বালাই। জ্বর-সর্দি ও কাশিসহ নানা ধরনের অসুখ হচ্ছে।
বৃদ্ধ আবুল খায়ের বলেন, যে শীত পড়েছে, তাতে বাঁচাই দায়। একে তো ডায়াবেটিস, এর জন্য সকালে হাঁটতে যাওয়ারও উপায় নেই। তার ওপর সর্দি-কাশিতো লেগেই আছে। শীতে আমাদের মতো বয়স্কদের খুবই কষ্ট।
কৃষক সিরাজ মিয়া বলেন, তীব্র শীতে হাত-পা জমে যাওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে মাঠে থাকাটাও কষ্টকর।
আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে জেলায় শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। এরপর থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। দিন-রাত ঘন কুয়াশায় শীত জেঁকে বসে।
ফেনী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শীতের ধরন বদলাচ্ছে। কখনো স্বল্প সময়ের তীব্র ঠাণ্ডা, আবার কখনো দীর্ঘ সময় ধরে শুষ্ক ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?