ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি

বিরাজমান মৃদু শৈত্য প্রবাহের মধ্যে ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনী আবহাওয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, বুধবার ফেনীতে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, বিরাজমান শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকবে। শেষ রাত থেকে শুরু করে সকাল পর্যন্ত মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়তে পারে। বৃষ্টিপাত না হলেও আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। ফেনী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শীতের ধরন বদলাচ্ছে। কখনো স্বল্প সময়ের তীব্র ঠান্ডা, আবার কখনো দীর্ঘ সময় ধরে শুষ্ক ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। এরআগে ৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ফেনীতে তাপমাত্রা কমে ৯.৯ ডিগ্রিতে নেমে বাড়ে শীতের তীব্রতা। পৌষের ঘন কুয়াশার আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। যা ছিল চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবদুল্লাহ আল-মামুন

ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি

বিরাজমান মৃদু শৈত্য প্রবাহের মধ্যে ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনী আবহাওয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, বুধবার ফেনীতে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, বিরাজমান শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকবে। শেষ রাত থেকে শুরু করে সকাল পর্যন্ত মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়তে পারে। বৃষ্টিপাত না হলেও আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি

ফেনী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শীতের ধরন বদলাচ্ছে। কখনো স্বল্প সময়ের তীব্র ঠান্ডা, আবার কখনো দীর্ঘ সময় ধরে শুষ্ক ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।

এরআগে ৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ফেনীতে তাপমাত্রা কমে ৯.৯ ডিগ্রিতে নেমে বাড়ে শীতের তীব্রতা। পৌষের ঘন কুয়াশার আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। যা ছিল চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow