ফেনীতে লাইসেন্স ছাড়া মিলছে না তেল, পাম্পে পাম্পে তল্লাশি-জরিমানা

বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া ফেনীতে মিলছে না মোটরযানের জ্বালানি তেল। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের অভিযানে জরিমানা গুনতে হচ্ছে মোটরসাইকেল চালকদের। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে প্রাইভেট কারের জন্য সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা ও মোটরসাইকেলের জন্য ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শহরের জেল রোডস্থ মেসার্স আবদুল কুদ্দুস ফিলিং স্টেশনে অভিযান চলাকালে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনজন মোটরসাইকেল চালককে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া হেলমেট ছাড়া চালকদের সচেতন করতেও দেখা যায়। শফিক আহমেদ নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, একদিকে জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে কাগজপত্র নিয়ে আবার বাড়তি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় দুই ঘণ্টা সময় চলে যাচ্ছে শুধু তেল নেওয়ার

ফেনীতে লাইসেন্স ছাড়া মিলছে না তেল, পাম্পে পাম্পে তল্লাশি-জরিমানা

বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া ফেনীতে মিলছে না মোটরযানের জ্বালানি তেল। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের অভিযানে জরিমানা গুনতে হচ্ছে মোটরসাইকেল চালকদের।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে প্রাইভেট কারের জন্য সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা ও মোটরসাইকেলের জন্য ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শহরের জেল রোডস্থ মেসার্স আবদুল কুদ্দুস ফিলিং স্টেশনে অভিযান চলাকালে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনজন মোটরসাইকেল চালককে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া হেলমেট ছাড়া চালকদের সচেতন করতেও দেখা যায়।

ফেনীতে লাইসেন্স ছাড়া মিলছে না তেল, পাম্পে পাম্পে তল্লাশি-জরিমানা

শফিক আহমেদ নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, একদিকে জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে কাগজপত্র নিয়ে আবার বাড়তি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় দুই ঘণ্টা সময় চলে যাচ্ছে শুধু তেল নেওয়ার জন্য। অন্তত ৪০০ টাকার তেল দিলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত। তেল নিতে এসে আবার জরিমানাও গুণতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’।

আজাদ নামের আরেক চালক বলেন, ৩০-৩৫ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে। ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। লাইসেন্স, গাড়ির কাগজপত্র ও হেলমেট না থাকলেও তেল দিচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় সবাইকে আরেকটু সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব পোষণ করা প্রয়োজন।

ফেনী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার চয়ন বড়ুয়া বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী ফিলিং স্টেশনগুলো তেল বিক্রি করছে কি না তা নজরদারির পাশাপাশি চালকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। সংকটের মধ্যে সকলে যেন সমানভাবে জ্বালানি পায়, সেই লক্ষ্যেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রেজিস্ট্রেশন সনদ, ফিটনেস সনদ ও চালকের হালনাগাদ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানে জ্বালানি তেল সরবরাহ না করতে ফেনীর পেট্রোল পাম্প, প্যাকড পয়েন্ট ও এজেন্সিগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তির পর থেকে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করতে দেখা গেছে।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow