ফেনীতে শহীদ জননীকে সাইবার বুলিং: স্মারকলিপি প্রদান
ফেনীতে জামায়াত আমীরকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ সারোয়ার জাহান মাসুদের মা আবেগঘন হয়ে কান্নার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ন্যাক্কারজনক সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে আজ শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ফেনীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি প্রদান করেন ফেনীর জুলাই যোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং শহীদের সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তিবর্গ। জানা যায়, কয়েকদিন আগে ফেনীর পাইলট মাঠ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর এক সমাবেশে অংশ নিতে আসেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সন্তান হারানোর গভীর বেদনা ও কষ্টের কথা বলতে গিয়ে শহীদ সারোয়ার জাহান মাসুদের মা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে একপর্যায়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। একজন শোকাহত মায়ের সেই মানবিক ও স্বাভাবিক আবেগঘন মুহূর্তকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, বিদ্রূপ ও আক্রমণ শুরু হয়। এতে তিনি চরম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। বিষয়ট
ফেনীতে জামায়াত আমীরকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ সারোয়ার জাহান মাসুদের মা আবেগঘন হয়ে কান্নার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ন্যাক্কারজনক সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে আজ শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ফেনীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান করেন ফেনীর জুলাই যোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং শহীদের সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তিবর্গ।
জানা যায়, কয়েকদিন আগে ফেনীর পাইলট মাঠ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর এক সমাবেশে অংশ নিতে আসেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সন্তান হারানোর গভীর বেদনা ও কষ্টের কথা বলতে গিয়ে শহীদ সারোয়ার জাহান মাসুদের মা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে একপর্যায়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন।
একজন শোকাহত মায়ের সেই মানবিক ও স্বাভাবিক আবেগঘন মুহূর্তকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, বিদ্রূপ ও আক্রমণ শুরু হয়। এতে তিনি চরম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধারা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। স্মারকলিপি প্রদানকালে বক্তারা বলেন, “একজন শহীদ সন্তানের মায়ের আবেগকে নিয়ে কটাক্ষ করা শুধু অমানবিক নয়, এটি পুরো জাতির বিবেককে আঘাত করেছে।”
তারা অবিলম্বে সাইবার বুলিংয়ে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং শহীদ পরিবারগুলোর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
What's Your Reaction?