ফেনীতে ৬ দিনেও মেলেনি সূর্যের দেখা
ফেনীতে টানা ৬ দিনেও মেলেনি সূর্যের দেখা। শীতের তীব্রতা বাড়ায় খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় মানুষের জীবন জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রিকশাচালক, শ্রমজীবী ও ভাসমান মানুষজন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডাজনিত কারণে ছোট কোমলমতি শিশুদের ঠান্ডা কাশি নিয়ে চাপ বেড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে। ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে যাওয়ায় নষ্ট হয় ঘরের লেপ তোষক। তাই সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। মহামায়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মোশারফ বলেন, প্রচন্ড শীতে কাঁপছে ফেনীর মানুষ। উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের কৃষক মামুন বলেন, ঠান্ডার কারণে মাঠে যাওয়া যাচ্ছে না, শীতকালীন সবজি বেচা বিক্রিতে ব্যাঘাত ঘটছে। ফেনী জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন, শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শীতের প্রকোপ আগামীতে আরও বেশ কয়েকদিন এভাবে চলতে থাকবে। তীব্র শীতের কারণে বয়স্কদের ও শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন
ফেনীতে টানা ৬ দিনেও মেলেনি সূর্যের দেখা। শীতের তীব্রতা বাড়ায় খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় মানুষের জীবন জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রিকশাচালক, শ্রমজীবী ও ভাসমান মানুষজন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডাজনিত কারণে ছোট কোমলমতি শিশুদের ঠান্ডা কাশি নিয়ে চাপ বেড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে।
ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে যাওয়ায় নষ্ট হয় ঘরের লেপ তোষক। তাই সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মহামায়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মোশারফ বলেন, প্রচন্ড শীতে কাঁপছে ফেনীর মানুষ।
উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের কৃষক মামুন বলেন, ঠান্ডার কারণে মাঠে যাওয়া যাচ্ছে না, শীতকালীন সবজি বেচা বিক্রিতে ব্যাঘাত ঘটছে।
ফেনী জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন, শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শীতের প্রকোপ আগামীতে আরও বেশ কয়েকদিন এভাবে চলতে থাকবে।
তীব্র শীতের কারণে বয়স্কদের ও শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন ফেনী জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার রুবাইয়াৎ বিন করিম। তিনি জানান, শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
What's Your Reaction?