ফের ঊর্ধ্বমুখী চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা, ৩৬.৮ ডিগ্রি রেকর্ড

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় তাপপ্রবাহের পর কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি ছিল। তবে রোববার (১২ এপ্রিল) থেকে আবারও জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে। তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করায় ভ্যাপসা গরম ও তীব্র রোদে জনজীবন হাঁসফাঁস অবস্থায় পড়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা বেড়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। যা শুধু একদিনের ব্যবধানেই ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। গরমের তীব্রতায় প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। রোববার বিকেলে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৩ শতাংশ। শনিবার (১১ এপ্রিল) ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গত কয়েকদিন তাপমাত্রা ৩০-৩২ ডিগ্রির ঘরে ওঠানামা করেছে। এদিকে দুপুরের প্রখর রোদে এখনো শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান-রিকশা চালক ও কৃষকদের কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না। দিনমজুর মজিদ মিয়া বলেন, আগের মতো আগুনের মতো গরম না হলেও এখনো রোদে কাজ করা

ফের ঊর্ধ্বমুখী চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা, ৩৬.৮ ডিগ্রি রেকর্ড

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় তাপপ্রবাহের পর কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি ছিল। তবে রোববার (১২ এপ্রিল) থেকে আবারও জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করায় ভ্যাপসা গরম ও তীব্র রোদে জনজীবন হাঁসফাঁস অবস্থায় পড়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা বেড়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। যা শুধু একদিনের ব্যবধানেই ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। গরমের তীব্রতায় প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ।

রোববার বিকেলে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৩ শতাংশ। শনিবার (১১ এপ্রিল) ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গত কয়েকদিন তাপমাত্রা ৩০-৩২ ডিগ্রির ঘরে ওঠানামা করেছে।

এদিকে দুপুরের প্রখর রোদে এখনো শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান-রিকশা চালক ও কৃষকদের কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না।

দিনমজুর মজিদ মিয়া বলেন, আগের মতো আগুনের মতো গরম না হলেও এখনো রোদে কাজ করা কষ্টকর। একটু পরপর বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।

ভ্যানচালক বশির আলী জানান, তাপমাত্রায় রাস্তায় গরমের তাপ রয়েছে। তারপরও জীবিকার তাগিদে ভ্যান চালাচ্ছি।

অন্যদিকে, তীব্র গরমের মধ্যে জ্বালানি সংকট পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিভিন্ন তেল পাম্পে এখনো মোটরসাইকেল চালকদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, যা ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক বলেন, কয়েকদিন বৃষ্টির পর আবার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। রোববার দুপুর ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২১ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, শনিবার একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হুসাইন মালিক/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow