ফের বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

উজানের ঢল আর ভারী বর্ষণে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ফের বিপৎসীর ওপরে। রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। খুলে দেওয়া হয়েছে সবকটি জলকপাট। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির বিপৎসীমা হচ্ছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার (এমএসএল)। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় সেখানে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২২ মিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে। উজানের পাহাড়ি ঢল এবং গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৩ জুন) তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিকাল ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা

ফের বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

উজানের ঢল আর ভারী বর্ষণে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ফের বিপৎসীর ওপরে।

রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। খুলে দেওয়া হয়েছে সবকটি জলকপাট।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির বিপৎসীমা হচ্ছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার (এমএসএল)। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় সেখানে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২২ মিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে। উজানের পাহাড়ি ঢল এবং গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ জুন) তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিকাল ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রাখা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে আজ মধ্যরাত পর্যন্ত তিস্তার পানি আরও ৪ থেকে ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে মধ্যরাতের পর থেকে পানি কমতে শুরু করবে এবং আগামীকাল তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচে বা কাছাকাছি থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী তিনদিন এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে পানি সাময়িক কমলেও নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

আমিরুল হক/এএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow