ফের ৩ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের দমন-পীড়নে অর্থ জোগান, নাশকতায় উসকানি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আফজাল নাছেরের আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আন্দোলনে ব্যবহৃত অর্থের উৎস, পরিকল্পনাকারী এবং অজ্ঞাত সহযোগীদের শনাক্ত করতে পুলিশ তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছিল। শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। তিনি বলেন, শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন। এর আগে, ৩ দিনের রিমান্ড শেষে আফজাল নাছেরকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে তাকে আরও নিবিড়

ফের ৩ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের দমন-পীড়নে অর্থ জোগান, নাশকতায় উসকানি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আফজাল নাছেরের আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আন্দোলনে ব্যবহৃত অর্থের উৎস, পরিকল্পনাকারী এবং অজ্ঞাত সহযোগীদের শনাক্ত করতে পুলিশ তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছিল।

শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। তিনি বলেন, শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এর আগে, ৩ দিনের রিমান্ড শেষে আফজাল নাছেরকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে তাকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ তিনটি কারণ বিশেষভাবে তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে- ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত অর্থের উৎস ও ব্যয়ের খাত উদঘাটন এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আফজাল নাছের বিগত সরকারের ‘দোসর’ ও অর্থ জোগানদাতা হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। তার নির্দেশনায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন প্রতিহত করতে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে পুনরায় রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আদালতকে জানিয়েছে পুলিশ।

এমডিএএ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow