ফেসবুকে বন্ধুত্ব: একজনের সাথে ২ বান্ধবীর বিয়ে, অতঃপর..

রাজবাড়ী সদর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী হাসান খানের স্ত্রী খাদিজা আক্তার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন যে, সৌদি প্রবাসী রাজিয়া সুলতানা তাকে এবং তার পরিবারকে হয়রানি করছেন। শনিবার বিকেলে রাজবাড়ী শহরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা আক্তারের বাবা আব্দুল গফফার এবং হাসান খানের বাবা হাসেম খান সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।খাদিজা আক্তার জানান, বাগেরহাট সদরের জবেদ আলী শিকদারের মেয়ে রাজিয়া সুলতানার সাথে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয় এবং রাজিয়া তাকে সৌদি প্রবাসী হাসান খানের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। খাদিজা তার কথা বিশ্বাস করেন। হাসান সৌদি থেকে দেশে আসার পর রাজিয়া তাকে ঢাকায় একটি বাসায় রেখে কৌশলে পিরোজপুর পৌরসভার ম্যারেজ রেজিস্ট্রার কাজী সাইফুল ইসলামের মাধ্যমে খাদিজাকে বিয়ে দেন। একই সময়ে কাজী ও রাজিয়া সুলতানার যোগসাজশে রাজিয়ার নামেও একটি কাবিননামা তৈরি করা হয়। খাদিজা অভিযোগ করেন যে, বিয়ের জন্য আনা হাসান খানের মালামাল রাজিয়া আত্মসাৎ করেছেন।তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে রাজিয়া তার পরিবারের সাথে কথা বলে আনুষ্ঠানিকভাবে

ফেসবুকে বন্ধুত্ব: একজনের সাথে ২ বান্ধবীর বিয়ে, অতঃপর..

রাজবাড়ী সদর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী হাসান খানের স্ত্রী খাদিজা আক্তার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন যে, সৌদি প্রবাসী রাজিয়া সুলতানা তাকে এবং তার পরিবারকে হয়রানি করছেন। শনিবার বিকেলে রাজবাড়ী শহরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা আক্তারের বাবা আব্দুল গফফার এবং হাসান খানের বাবা হাসেম খান সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খাদিজা আক্তার জানান, বাগেরহাট সদরের জবেদ আলী শিকদারের মেয়ে রাজিয়া সুলতানার সাথে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয় এবং রাজিয়া তাকে সৌদি প্রবাসী হাসান খানের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। খাদিজা তার কথা বিশ্বাস করেন। হাসান সৌদি থেকে দেশে আসার পর রাজিয়া তাকে ঢাকায় একটি বাসায় রেখে কৌশলে পিরোজপুর পৌরসভার ম্যারেজ রেজিস্ট্রার কাজী সাইফুল ইসলামের মাধ্যমে খাদিজাকে বিয়ে দেন। একই সময়ে কাজী ও রাজিয়া সুলতানার যোগসাজশে রাজিয়ার নামেও একটি কাবিননামা তৈরি করা হয়। খাদিজা অভিযোগ করেন যে, বিয়ের জন্য আনা হাসান খানের মালামাল রাজিয়া আত্মসাৎ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে রাজিয়া তার পরিবারের সাথে কথা বলে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিয়ের আয়োজন করেন এবং সেই বিয়েতে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। যদি হাসান রাজিয়াকেই বিয়ে করে থাকেন, তাহলে তিনি কিভাবে নিজে থেকে খাদিজার বিয়ের ব্যবস্থা করলেন, যেখানে রাজিয়ার বড় দুটি সন্তান রয়েছে?

খাদিজা আক্তার অভিযোগ করেন, রাজিয়া তার স্বামী হাসান খানকে সৌদি আরবে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন নতুন করে বিয়ের নামে এবং বিভিন্ন মিথ্যা প্রচারণাসহ মামলা দায়ের করে খাদিজা, তার পরিবার এবং শ্বশুরবাড়ির পরিবারকে হয়রানি করছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে রাজিয়া সুলতানা বলেন, সৌদি আরবে হাসান খানের সাথে তার পরিচয় হয়। তিনি সেখানে ১০ মাস কাজ করেছেন এবং তার সমস্ত টাকা হাসান আত্মসাৎ করেছেন। হাসান তাকে বিয়েও করেছেন। তিনি দেশে চলে আসার পর হাসান তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তখন তার বান্ধবী খাদিজাকে দিয়ে হাসানকে রাজি করান। পরে হাসান দেশে আসলে তাকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে তাকে না জানিয়ে বান্ধবী খাদিজাকে বিয়ে করেন। রাজিয়া আরও অভিযোগ করেন যে, হাসান তাকে মারধর করাসহ তার জরায়ুর নারী কেটে দিয়েছেন। তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এবং বিচার চেয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow