‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করবে’

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদানের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি অনুযায়ি এ ধরনের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম নিমোর্হভাবে অব্যাহত রাখা উচিত।  শনিবার (০২ মে) রাজধানীর এফডিসিতে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়া নিয়ে এক ছায়া সংসদে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ এই মন্তব্য করেন। কিরণ বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যা বর্তমান সরকারের সাহসী উদ্যোগ। আসন্ন বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা উচিত। তবে সুবিধাভোগী নির্বাচনে যাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতি না থাকে সেদিকে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। বিগত শাসনামলে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে অনেক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ছিল। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ

‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করবে’

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদানের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি অনুযায়ি এ ধরনের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম নিমোর্হভাবে অব্যাহত রাখা উচিত। 

শনিবার (০২ মে) রাজধানীর এফডিসিতে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়া নিয়ে এক ছায়া সংসদে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ এই মন্তব্য করেন।

কিরণ বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যা বর্তমান সরকারের সাহসী উদ্যোগ। আসন্ন বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা উচিত। তবে সুবিধাভোগী নির্বাচনে যাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতি না থাকে সেদিকে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। বিগত শাসনামলে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে অনেক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ছিল। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ও দেশে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে। বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতিতে সরকারের উপর অহেতুক চাপ সৃষ্টি না করে কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা যেন সহনশীল রাখা যায় তার জন্য রাজনৈতিক ঐক্য দরকার। এর জন্য সরকার ও বিরোধীদল কেউ কাউকে ব্যর্থ করার চেষ্টা না করে অতীত ইতিহাস থেকে অভিজ্ঞতা গ্রহণ করে দেশ পরিচালনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সংকটকালে একটি জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব, সাবধানী, টেকসই, সুষম ও বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট প্রণয়ন করার তাগিদ দেন তিনি। যাতে নিম্ন মধ্যবিত্তের উপর কোনো চাপ তৈরি না হয়, জনভোগান্তি না বাড়ে, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল থাকে, কর্মসংস্থান তৈরি হয় ও বিনিয়োগ বাড়ে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow