ফ্যামিলি কার্ড নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দলীয়করণ করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, স্বচ্ছ ও স্বাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচনে যে অঙ্গীকার ছিল, তার অংশ হিসেবে একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা বহুদিন ধরে বলে আসছি- বাংলাদেশের অর্থনীতির সুফল সব মানুষের ঘরে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা করা সহজ নয়। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা মাথায় রেখে বড় কোনো সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়াও সহজ নয়। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষদের আগে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। আমরা দেখেছি, সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষ হচ্ছে হতদরিদ্র পরিবারগুলো। এসব পরিবারের গৃহস্থালি পরিচালনায় যে নারীপ্রধান ভূমিকা রাখেন, তাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত

ফ্যামিলি কার্ড নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দলীয়করণ করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, স্বচ্ছ ও স্বাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচনে যে অঙ্গীকার ছিল, তার অংশ হিসেবে একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা বহুদিন ধরে বলে আসছি- বাংলাদেশের অর্থনীতির সুফল সব মানুষের ঘরে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা করা সহজ নয়। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা মাথায় রেখে বড় কোনো সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়াও সহজ নয়।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষদের আগে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। আমরা দেখেছি, সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষ হচ্ছে হতদরিদ্র পরিবারগুলো। এসব পরিবারের গৃহস্থালি পরিচালনায় যে নারীপ্রধান ভূমিকা রাখেন, তাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রকল্পটি বাংলাদেশের বাজেটের একটি বড় অংশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই প্রকল্প পরিকল্পনার সময় থেকেই কীভাবে এ ব্যয় সামাল দেওয়া যাবে, সে বিষয়েও বিস্তর কাজ করেছি। একই সঙ্গে স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন কীভাবে করা যায়, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কারা এ সুবিধা পাবেন তা নির্ধারণের জন্য একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। এ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি। স্বাধীনভাবে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যা পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। পরে ধাপে ধাপে দেশের সব নারীপ্রধান পরিবারকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, এটা নিঃসন্দেহে একটি সাহসী পদক্ষেপ। আমরা যদি কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার কথা বলি, যদি পিছিয়ে পড়া মানুষের কথা বলি, তাহলে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক দিন ধরেই মানুষ এমন একটি কর্মসূচির প্রত্যাশা করছিল।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে অনেক সময় বিভিন্ন সামাজিক সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে দুর্নীতি দেখা যায়। কিন্তু এ কার্ড ব্যবস্থায় সেই সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে নারীরা আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষমতায়িত হবেন। তাদের জীবনযাত্রার মানেও পরিবর্তন আসবে। আড়াই হাজার টাকা একজন হতদরিদ্র পরিবারের জন্য দৈনন্দিন সংসার পরিচালনায় বড় সহায়তা।

তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি এ প্রকল্প শুধু স্বচ্ছতার সঙ্গে নয়, অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেও বাস্তবায়িত হবে।

এমএএস/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow