ফ্রান্সকে হারিয়ে কুবারসি, ‘অনেক সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি’

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই স্পেনের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে নিয়ে ছিল নানা সমালোচনা। বড় ম্যাচে এই ডিফেন্স ভেঙে পড়বে — এমন ভবিষ্যদ্বাণীও করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর সেই সমালোচনার জবাব দিলেন স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। তার দাবি, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই তারা সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন। ম্যাচ শেষে ডালাসে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কুবারসি বলেন, ‘ফুটবলে ক্লিন শিট রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। এটা দলকে অনেক সাহায্য করে। আমাদের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে নিয়ে অনেক কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু আমরা অনেক সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা অসাধারণ কাজ করছি, আর এর কৃতিত্ব শুধু যারা খেলছে তাদের নয়, বেঞ্চে থাকা সবাইকেও দিতে হবে।’ ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠায় দারুণ উচ্ছ্বসিত এই বার্সেলোনা ডিফেন্ডার। তিনি বলেন, ‘আজ পুরো দল যেভাবে খেলেছে, তাতে আমরা ভীষণ খুশি। জানতাম ম্যাচটি কঠিন হবে। তাদের দলে অসাধারণ খেলোয়াড় আছে, কিন্তু আমাদের দলেও আছে। আমরা একটি পরিবারের মতো ৯০ মিনিট একে অপর

ফ্রান্সকে হারিয়ে কুবারসি, ‘অনেক সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি’

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই স্পেনের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে নিয়ে ছিল নানা সমালোচনা। বড় ম্যাচে এই ডিফেন্স ভেঙে পড়বে — এমন ভবিষ্যদ্বাণীও করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর সেই সমালোচনার জবাব দিলেন স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। তার দাবি, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই তারা সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন।

ম্যাচ শেষে ডালাসে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কুবারসি বলেন, ‘ফুটবলে ক্লিন শিট রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। এটা দলকে অনেক সাহায্য করে। আমাদের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে নিয়ে অনেক কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু আমরা অনেক সমালোচকের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা অসাধারণ কাজ করছি, আর এর কৃতিত্ব শুধু যারা খেলছে তাদের নয়, বেঞ্চে থাকা সবাইকেও দিতে হবে।’

ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠায় দারুণ উচ্ছ্বসিত এই বার্সেলোনা ডিফেন্ডার। তিনি বলেন, ‘আজ পুরো দল যেভাবে খেলেছে, তাতে আমরা ভীষণ খুশি। জানতাম ম্যাচটি কঠিন হবে। তাদের দলে অসাধারণ খেলোয়াড় আছে, কিন্তু আমাদের দলেও আছে। আমরা একটি পরিবারের মতো ৯০ মিনিট একে অপরকে সাহায্য করেছি। দারুণ একটি ম্যাচ খেলেছি এবং এই ফল নিয়ে আমরা খুবই গর্বিত।’

বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার অনুভূতিও ভাগ করে নেন কুবারসি, ‘ভেতরে ভেতরে আমি খুব শান্ত, কিন্তু একই সঙ্গে ভীষণ আনন্দিত। এখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এবং ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে আমরা এই মুহূর্ত উদযাপন করছি। স্বপ্ন এখনও বেঁচে আছে, আর আমরা ফাইনালের অপেক্ষায় আছি।’

বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলাকে নিজের জীবনের অন্যতম বড় অর্জন বলেও উল্লেখ করেন তিনি, ‘এটি আমার স্বপ্নপূরণ। আমি নিজের জন্য যেমন গর্বিত, তেমনি আমার পরিবারের জন্যও। তাদের সমর্থন ছাড়া আমি এখানে পৌঁছাতে পারতাম না। আমরা এখন বিশ্বকাপের ফাইনালে, আর আমাদের লক্ষ্য একটাই — শিরোপা জেতা।’

ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি ইংল্যান্ড, কাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চান, এমন প্রশ্নে অবশ্য নিরপেক্ষই থেকেছেন কুবারসি। তিনি বলেন, ‘যেই আসুক, তাকেই স্বাগত। এখন আমরা বিশ্রাম নেব, দীর্ঘ ভ্রমণ আছে। এরপর দেখব ফাইনালে আমাদের প্রতিপক্ষ কে হয়।’

ফ্রান্সকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে স্পেন। আর কুবারসির কণ্ঠেও স্পষ্ট সমালোচনার জবাব তারা কথায় নয়, পারফরম্যান্সেই দিতে চান।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow