ফ্রান্সের কাছ থেকে ৪টি যুদ্ধজাহাজ কিনছে সুইডেন

ফ্রান্সের কাছ থেকে চারটি নতুন ফ্রিগেট বা যুদ্ধজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুইডেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন একে কয়েক দশকের মধ্যে সুইডেনের সবচেয়ে বড় সামরিক বিনিয়োগগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  সুইডিশ সংবাদমাধ্যম এসভিটির তথ্য অনুযায়ী, কেনা হতে যাওয়া এফডিআই-ধরনের ফ্রিগেটগুলো সুইডেনের নৌ ও আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। এগুলো যুদ্ধবিমান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধেও ব্যবহৃত হবে। ক্রিস্টারসন বলেন, ১৯৮০-এর দশকে সাব জেএএস ৩৯ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান চালুর পর এটিই সুইডেনের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ। তার দাবি, এই চুক্তির ফলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় তিনগুণ হবে। তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাল্টিক সাগরকে আরও নিরাপদ করতে সুইডেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সুইডেনের সেনাপ্রধান মাইকেল ক্লেসন বলেন, নতুন যুদ্ধজাহাজগুলো ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অভিযানে বাল্টিক অঞ্চলের বাইরেও সুইডেনের অংশগ্রহণ সহজ করবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল জনসন জানান, দ্রুত সরবরাহের সক্ষমতা থাকায় ফ্রান্সকে বেছে নেওয়া হয়েছে। নেভাল গ্রুপের প্

ফ্রান্সের কাছ থেকে ৪টি যুদ্ধজাহাজ কিনছে সুইডেন
ফ্রান্সের কাছ থেকে চারটি নতুন ফ্রিগেট বা যুদ্ধজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুইডেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন একে কয়েক দশকের মধ্যে সুইডেনের সবচেয়ে বড় সামরিক বিনিয়োগগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  সুইডিশ সংবাদমাধ্যম এসভিটির তথ্য অনুযায়ী, কেনা হতে যাওয়া এফডিআই-ধরনের ফ্রিগেটগুলো সুইডেনের নৌ ও আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। এগুলো যুদ্ধবিমান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধেও ব্যবহৃত হবে। ক্রিস্টারসন বলেন, ১৯৮০-এর দশকে সাব জেএএস ৩৯ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান চালুর পর এটিই সুইডেনের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ। তার দাবি, এই চুক্তির ফলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় তিনগুণ হবে। তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাল্টিক সাগরকে আরও নিরাপদ করতে সুইডেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সুইডেনের সেনাপ্রধান মাইকেল ক্লেসন বলেন, নতুন যুদ্ধজাহাজগুলো ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অভিযানে বাল্টিক অঞ্চলের বাইরেও সুইডেনের অংশগ্রহণ সহজ করবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল জনসন জানান, দ্রুত সরবরাহের সক্ষমতা থাকায় ফ্রান্সকে বেছে নেওয়া হয়েছে। নেভাল গ্রুপের প্রস্তুত নকশা থাকায় দ্রুত নির্মাণ সম্ভব হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সাল থেকে প্রতি বছর একটি করে যুদ্ধজাহাজ সরবরাহ শুরু হতে পারে। প্রতিটি জাহাজের সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা, যা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow