ফয়েজ আহমদের দেশত্যাগ, যা বললেন রিজওয়ানা

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন বলে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার দেশ ছাড়ার খবরে অনলাইন-অফলাইনে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে।  সমালোচকদের অভিযোগ, সম্প্রতি শুল্ক ফাঁকির মোবাইলফোন কেনাবেচা নিষিদ্ধ করে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া তার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজ নিয়েও অসন্তোষ ছিল। এ কারণে তিনি এক অর্থে পালিয়ে গেছেন। তবে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।   পরিবেশ উপদেষ্টা দাবি করেন, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সংস্কার কাজ অনেকের পছন্দ হয়নি। তাই একটা গ্রুপ পালানোর কথা ছড়াচ্ছে। এদিকে দেশ ছাড়া নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনার মুখে জবাব দিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজেও। শনিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, মোবাইল ব্যবসায়ী ও টেলিকম সংশ্লিষ্ট কিছু গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছে। ফয়েজ আহমদ লেখেন, ‘ফেব্রুয়ারির ৮, ৯, ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি

ফয়েজ আহমদের দেশত্যাগ, যা বললেন রিজওয়ানা

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন বলে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার দেশ ছাড়ার খবরে অনলাইন-অফলাইনে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে। 

সমালোচকদের অভিযোগ, সম্প্রতি শুল্ক ফাঁকির মোবাইলফোন কেনাবেচা নিষিদ্ধ করে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া তার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজ নিয়েও অসন্তোষ ছিল। এ কারণে তিনি এক অর্থে পালিয়ে গেছেন।

তবে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
 
পরিবেশ উপদেষ্টা দাবি করেন, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সংস্কার কাজ অনেকের পছন্দ হয়নি। তাই একটা গ্রুপ পালানোর কথা ছড়াচ্ছে।

এদিকে দেশ ছাড়া নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনার মুখে জবাব দিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজেও। শনিবার গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, মোবাইল ব্যবসায়ী ও টেলিকম সংশ্লিষ্ট কিছু গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছে।

ফয়েজ আহমদ লেখেন, ‘ফেব্রুয়ারির ৮, ৯, ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি, পিটিডি ও বিটিআরসি থেকে। এরপরে নির্বাচনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রযুক্তি নির্ভর নির্বাচনি আয়োজনে আমার কিছু কন্ট্রিবিউশন ছিল। কলিগদের থেকেও ঠিকঠাক বিদায় নিয়েছি। ১০ ফেব্রুয়ারি অফিসিয়ালি শেষ কর্ম দিবস ছিল। সেদিন কর্মকর্তা কর্মচারী সবার সঙ্গে একসাথে ফেয়ারওয়েল ডিনার করেছি। গান গেয়ে বিদায় দিয়েছেন আমার সহকর্মীরা, ওয়ালে পাবেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘একজন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন এবং সৎ ব্যক্তিকে দুটো অসম্মানজনক কটু কথা শোনানোর আগে, তথ্য যাচাই-বাছাই করে নেবেন, চাওয়াটা খুব বেশি বড় না। বিদায়ের সময় এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল পরে কি করবেন? বলেছি একটা চাকরি খুঁজতে হবে দ্রুত। দেশের জন্য কাজ করতে এসে ফাইনান্সিয়ালি অনেক লোকসান হয়েছে। সেভিংস যা ছিল সব শেষ হয়েছে।’

পুনশ্চ অংশে ফয়েজ আহমদ দাবি করেন,  দায়িত্ব পালনকালে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন এবং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। পুরোনো আইন ও নীতিমালা পরিবর্তনে তিনি ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারেন যে তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন।

পোস্টের শেষে সবার কাছে দোয়া কামনা করে তিনি লেখেন, ‘ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন।’

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি দুবাই হয়ে তিনি জার্মানি যান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow