বংশালে মুদি দোকানি হত্যায় আসামির যাবজ্জীবন
রাজধানীর বংশালের সিদ্দিক বাজারে ২০১৬ সালের নভেম্বরে রিকাশাযোগে বাড়ি যাওয়ার সময় ছিনতাইকারী কর্তৃক মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুসকে বুকে ছুরি মেরে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামি মাসুম মিয়া ওরফে কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৬ এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী রায়টি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে খালাস দিয়েছেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় সাজাপ্রাপ্ত এবং খালাসপ্রাপ্ত উভয়ই উপস্থিত ছিলেন। এদিন আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। যদিও এ সময় আসামিপক্ষের কেউ ছিলেন না। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে রিকশাযোগে বাড়ি যাওয়ার সময় কামরাঙ্গীরচরের মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুস বংশাল থানাধীন এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে মারা যান। ওইদিন সকালেই ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুসের চাচাতো ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার দুই মাস পরে ১০ নভেম্বর মামলাট
রাজধানীর বংশালের সিদ্দিক বাজারে ২০১৬ সালের নভেম্বরে রিকাশাযোগে বাড়ি যাওয়ার সময় ছিনতাইকারী কর্তৃক মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুসকে বুকে ছুরি মেরে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামি মাসুম মিয়া ওরফে কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৬ এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী রায়টি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় সাজাপ্রাপ্ত এবং খালাসপ্রাপ্ত উভয়ই উপস্থিত ছিলেন।
এদিন আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। যদিও এ সময় আসামিপক্ষের কেউ ছিলেন না।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে রিকশাযোগে বাড়ি যাওয়ার সময় কামরাঙ্গীরচরের মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুস বংশাল থানাধীন এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে মারা যান। ওইদিন সকালেই ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুসের চাচাতো ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনার দুই মাস পরে ১০ নভেম্বর মামলাটি তদন্ত শেষে দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক মো. শহীদুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের মার্চ মাসের ৭ তারিখ মামলাটি চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর পরে মোট ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে রাষ্ট্র পক্ষ।
What's Your Reaction?