বগুড়া-৪ আসনে বড় পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছেন নারী ভোটাররা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বড় পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছেন নারী ভোটাররা। বগুড়া-৪ সংসদীয় আসনে পুরুষের চেয়ে ১ হাজার ৫৪৫ জন নারী ভোটার বেশি হওয়ায় প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ের হিসাব এখন অনেকটাই নির্ভর করছে তাঁদের সিদ্ধান্তের ওপর। এ অবস্থায় সব দলের প্রার্থীরাই নারী ভোটারদের মন জয় করতে নানা প্রতিশ্রুতি ও কৌশলী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। উঠান বৈঠক, নারী কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ঘরে ঘরে গিয়ে নারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার প্রবণতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫২৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮৫ জন, নারী ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৩০ জন এবং ৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। কাহালু উপজেলায় ৬৫টি ও নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। বগুড়া-৪ আসনে ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন—বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মোশারফ হোসেন, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, জাতীয় পার্টির
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বড় পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছেন নারী ভোটাররা। বগুড়া-৪ সংসদীয় আসনে পুরুষের চেয়ে ১ হাজার ৫৪৫ জন নারী ভোটার বেশি হওয়ায় প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ের হিসাব এখন অনেকটাই নির্ভর করছে তাঁদের সিদ্ধান্তের ওপর।
এ অবস্থায় সব দলের প্রার্থীরাই নারী ভোটারদের মন জয় করতে নানা প্রতিশ্রুতি ও কৌশলী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। উঠান বৈঠক, নারী কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ঘরে ঘরে গিয়ে নারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার প্রবণতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫২৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮৫ জন, নারী ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৩০ জন এবং ৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। কাহালু উপজেলায় ৬৫টি ও নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। বগুড়া-৪ আসনে ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন—বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মোশারফ হোসেন, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী শাহিন মোস্তফা কামাল (ফারুক) ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইদ্রিস আলী।
নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার নারী ভোটার তাসলিমা খাতুন বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে পারবে এমন প্রার্থীকেই ভোট দেব।
নন্দীগ্রাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। নারীদের পিছিয়ে রেখে কোনোভাবেই একটি জাতি সামনে এগোতে পারবে না। নির্বাচনে যেই জয়লাভ করুক, তাঁকে নারীর প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
What's Your Reaction?