বগুড়ায় ট্রাকমালিককে গলা কেটে হত্যা
বগুড়ার গাবতলীতে সাইফুল ইসলাম (৪০) নামে এক ট্রাকমালিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার সোন্দাবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির পাশের একটি ঘাসের জমিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার জামাল উদ্দিন ওরফে জামুর ছেলে। পুলিশের ধারণা, ব্যবসায়িক কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম প্রতিদিন গভীর রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরতেন। শনিবার দিনগত রাতেও তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু ভোর হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। তার মুঠোফোনে কল দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে ভোরে বাড়ির উত্তর পাশে একটি ঘাসের জমিতে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। নিহতের মেয়ে সাদিয়া আক্তার বলেন, বাবা প্রতিদিন দেরি করে বাড়ি ফেরেন। কাল ভোরেও যখন বাবা ফিরছিলেন না, তখন আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। পরে বাড়ির সামনেই বাবার রক্তাক্ত মরদেহ পাই। খবর পেয়ে গাবতলী মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে
বগুড়ার গাবতলীতে সাইফুল ইসলাম (৪০) নামে এক ট্রাকমালিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার সোন্দাবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির পাশের একটি ঘাসের জমিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার জামাল উদ্দিন ওরফে জামুর ছেলে। পুলিশের ধারণা, ব্যবসায়িক কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম প্রতিদিন গভীর রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরতেন। শনিবার দিনগত রাতেও তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু ভোর হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। তার মুঠোফোনে কল দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে ভোরে বাড়ির উত্তর পাশে একটি ঘাসের জমিতে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা।
নিহতের মেয়ে সাদিয়া আক্তার বলেন, বাবা প্রতিদিন দেরি করে বাড়ি ফেরেন। কাল ভোরেও যখন বাবা ফিরছিলেন না, তখন আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। পরে বাড়ির সামনেই বাবার রক্তাক্ত মরদেহ পাই।
খবর পেয়ে গাবতলী মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান জানান, নিহতের গলা, মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক কোনো দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এলবি/এমএন/জেআইএম
What's Your Reaction?