বগুড়ায় ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার
বগুড়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসা সুপারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) ভোররাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার বাকী বিল্লাহ (৫২) নন্দীগ্রাম উপজেলার গছাইল দাখিল মাদ্রাসার সুপার। জানা গেছে, বাকী বিল্লাহর চাচাতো শ্যালিকা শারীরিক প্রতিবন্ধী। পরিবারের সঙ্গেই বাড়িতে থাকতেন তিনি। গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে চাচাশ্বশুরের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন বাকী বিল্লাহ। পরে ওই তরুণীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, ওই তরুণী ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় তরুণীর চাচা বাদী হয়ে গত ২৫ জুন আদালতে একটি মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার ভোররাতে নন্দীগ্রাম থানায় মামলাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপরই ভোররাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলা
বগুড়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসা সুপারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) ভোররাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার বাকী বিল্লাহ (৫২) নন্দীগ্রাম উপজেলার গছাইল দাখিল মাদ্রাসার সুপার।
জানা গেছে, বাকী বিল্লাহর চাচাতো শ্যালিকা শারীরিক প্রতিবন্ধী। পরিবারের সঙ্গেই বাড়িতে থাকতেন তিনি। গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে চাচাশ্বশুরের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন বাকী বিল্লাহ। পরে ওই তরুণীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, ওই তরুণী ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় তরুণীর চাচা বাদী হয়ে গত ২৫ জুন আদালতে একটি মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার ভোররাতে নন্দীগ্রাম থানায় মামলাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপরই ভোররাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় গছাইল দাখিল মাদরাসার সুপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
What's Your Reaction?