বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের এক সহকারী প্রোগ্রামারকে আটক করায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে কর্মজীবী নারীদের পতিতা বলেছিলেন, যা দেশের শ্রমজীবী নারীদের প্রতি সুস্পষ্ট অপমান ও অবমাননা। এর ফলে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠলে ড. ইউনূস প্রশাসন জামায়াতে আমিরের কুকীর্তি ঢাকতে নীল নকশা করতে থাকে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘সেই নীল নকশার অংশ হিসেবে এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনার অভিযোগে বঙ্গভবনের এক সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ দু’দিন আগেও ডিএমপি থেকে জানানো হয়েছিল-অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়নি। তাহলে এখন আবার হ্যাকের অভিযোগে গ্রেফতার কেন? তাহলে কি সরকারের মধ্যে আরেক সরকার জামায়াত সরকার? যে সরকারের প্রশাসন আওয়ামী প্রশাসনের একই রূপমাত্র?’ যুবদল নেতা নয়ন লিখেছেন, ‘এছাড়া সরকারি কর্মচারী আইন- ২০১৮ অন
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের এক সহকারী প্রোগ্রামারকে আটক করায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে কর্মজীবী নারীদের পতিতা বলেছিলেন, যা দেশের শ্রমজীবী নারীদের প্রতি সুস্পষ্ট অপমান ও অবমাননা। এর ফলে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠলে ড. ইউনূস প্রশাসন জামায়াতে আমিরের কুকীর্তি ঢাকতে নীল নকশা করতে থাকে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘সেই নীল নকশার অংশ হিসেবে এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনার অভিযোগে বঙ্গভবনের এক সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ দু’দিন আগেও ডিএমপি থেকে জানানো হয়েছিল-অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়নি। তাহলে এখন আবার হ্যাকের অভিযোগে গ্রেফতার কেন? তাহলে কি সরকারের মধ্যে আরেক সরকার জামায়াত সরকার? যে সরকারের প্রশাসন আওয়ামী প্রশাসনের একই রূপমাত্র?’
যুবদল নেতা নয়ন লিখেছেন, ‘এছাড়া সরকারি কর্মচারী আইন- ২০১৮ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া, আইও রিপোর্ট ছাড়া, সরকারের অনুমতি ছাড়া রাষ্ট্রের একজন কর্মচারীকে গ্রেফতার করা যায় না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- তাকে কোন আইনে গ্রেফতার করা হলো? জামায়াতের আইনে? আসলে এটা একটা নাটক ছাড়া কিছু না। জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নোংরামি ঢাকতে বঙ্গভবনের প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলমকে ফাঁসানো হলো। আরও ভালোভাবে বললে- বলির পাঁঠা বানানো হলো।’
What's Your Reaction?