বছরের শুরুতে যে দোয়া পড়বেন

ঘড়ির কাঁটার কটকট শব্দে সময় বদলায়। বদলায় আলো-আঁধারির ক্ষণ। মানবজীবনে আসে নতুন দিন, সপ্তাহ, মাস ও বছর। কিন্তু ইসলামি শরিয়তে নতুন বছর বা সময়ের মাঝে আলাদা করে কল্যাণ বা অকল্যাণের কিছু নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘এরপর যখন তাদের শুভদিন ফিরে আসতো, তখন তারা বলতো এটা তো আমাদের প্রাপ্য। আর যদি তাদের কাছে অকল্যাণ এসে উপস্থিত হতো, তখন তা মুসা এবং তার সঙ্গীদের অশুভ কারণরূপে মনে করতো। শুনে রাখো, তাদের অকল্যাণ তো আল্লাহ্‌র কাছেই। কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই অজ্ঞ’। (সুরা আরাফ : ১৩১) বর্তমানে বর্ষবরণের নামে পহেলা বৈশাখে যা কিছু করা হয়, এসব মানুষের অকল্যাণই নিয়ে আসে। ইসলাম সমর্থন করে না এমন কাজের কারণে পরকালের শাস্তি তো রয়েছেই, একইসঙ্গে পার্থিব জীবনে সম্পদের অপচয়, পরিবেশের ক্ষতিও হচ্ছে ব্যাপক। সুতরাং, বছরের শুরুতে ইবাদতের সঙ্গে এই মুহূর্তকে উদযাপন করা একজন মুসলিমের জন্য ইমানি দায়িত্ব। নিজের দুই জীবনের ক্ষতি না করে বছরের শুরুতে আল্লাহর কাছে রহমত কামনা করা যেতে পারে। আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিরা নতুন বছরের আগমনে কিংবা নতুন মাসের শুরুতে

বছরের শুরুতে যে দোয়া পড়বেন

ঘড়ির কাঁটার কটকট শব্দে সময় বদলায়। বদলায় আলো-আঁধারির ক্ষণ। মানবজীবনে আসে নতুন দিন, সপ্তাহ, মাস ও বছর। কিন্তু ইসলামি শরিয়তে নতুন বছর বা সময়ের মাঝে আলাদা করে কল্যাণ বা অকল্যাণের কিছু নেই।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘এরপর যখন তাদের শুভদিন ফিরে আসতো, তখন তারা বলতো এটা তো আমাদের প্রাপ্য। আর যদি তাদের কাছে অকল্যাণ এসে উপস্থিত হতো, তখন তা মুসা এবং তার সঙ্গীদের অশুভ কারণরূপে মনে করতো। শুনে রাখো, তাদের অকল্যাণ তো আল্লাহ্‌র কাছেই। কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই অজ্ঞ’। (সুরা আরাফ : ১৩১)

বর্তমানে বর্ষবরণের নামে পহেলা বৈশাখে যা কিছু করা হয়, এসব মানুষের অকল্যাণই নিয়ে আসে। ইসলাম সমর্থন করে না এমন কাজের কারণে পরকালের শাস্তি তো রয়েছেই, একইসঙ্গে পার্থিব জীবনে সম্পদের অপচয়, পরিবেশের ক্ষতিও হচ্ছে ব্যাপক।

সুতরাং, বছরের শুরুতে ইবাদতের সঙ্গে এই মুহূর্তকে উদযাপন করা একজন মুসলিমের জন্য ইমানি দায়িত্ব। নিজের দুই জীবনের ক্ষতি না করে বছরের শুরুতে আল্লাহর কাছে রহমত কামনা করা যেতে পারে।

আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিরা নতুন বছরের আগমনে কিংবা নতুন মাসের শুরুতে এই দোয়া পড়তে অভ্যস্ত ছিলেন। দোয়াটি হলো, اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ، وَالْإِيمَانِ، وَالسَّلَامَةِ، وَالْإِسْلَامِ، وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمَنِ، وَجَوَار مِنَ الشَّيْطَانِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল-আমনি, ওয়াল ইমানি, ওয়াস সালামাতি, ওয়াল ইসলামি, ওয়া রিদওয়ানিম মিনার রাহমানি, ওয়া ঝাওয়ারিম মিনাশ শায়ত্বানি।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের ইমান ও ইসলামকে নিরাপদ করুন। আমাদের সুরক্ষা দিন। দয়াময় রহমানের কল্যাণ দান করুন। শয়তানের কুমন্ত্রণার মোকাবেলায় আমাদের সাহায্য করুন। (আল-মুজাম আল-আওসাত, হাদিস : ০৬/২২১)

আরেকটি বর্ণনায় কিছুটা ভিন্নতায় এসেছে। সেখানে দোয়ার শেষের দুই অংশ আগে-পরে বর্ণিত হয়েছে। তখন দোয়াটি এভাবে হয়,

اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ ، وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلامَةِ ، وَالإِسْلامِ ، وَجَوَار مِنَ الشَّيْطَانِ، وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمَنِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল-আমনি, ওয়াল ইমানি, ওয়াস সালামাতি, ওয়াল ইসলামি, ওয়া ঝাওয়ারিম মিনাশ শায়ত্বানি, ওয়া রিদওয়ানিম মিনার রাহমানি।

অর্থ : হে আল্লাহ, আমাদের ইমান ও ইসলামকে নিরাপদ করুন। আমাদের সুরক্ষা দিন। শয়তানের কুমন্ত্রণার মোকাবিলায় আমাদের সাহায্য করুন। দয়াময় রহমানের কল্যাণ দান করুন। (মু’জামুস সাহাবাহ : ০৩/৫৪৩; আল-ইসাবাহ : ০৬/৪০৭-৪০৮)

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow