বজ্রপাতে প্রাণ গেল স্কুল শিক্ষার্থীর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বজ্রপাতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলার বিনাউটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে তার এক সহপাঠী। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ফাহাদ হোসেন (১৫)। তিনি উপজেলার বিনাউটি গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। তিনি সাতগ্রাম এডভোকেট হারুনুর রশীদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ফাহাদ তার সহপাঠী জিহাদ ও রাফিকে নিয়ে আরেক সহপাঠী বোরহান মিয়ার বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় হালকা বৃষ্টি শুরু হলে তারা বাড়ির পাশে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেয়। হঠাৎ বজ্রপাত হলে ফাহাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় তার সহপাঠী রাফিও আহত হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ফাহাদকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রাফিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তাহমিনা আক্তার বলেন, দুপুরে বজ্রপাতে আহত অবস্থায় ফাহাদকে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বজ্রপাতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলার বিনাউটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে তার এক সহপাঠী।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ফাহাদ হোসেন (১৫)। তিনি উপজেলার বিনাউটি গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। তিনি সাতগ্রাম এডভোকেট হারুনুর রশীদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ফাহাদ তার সহপাঠী জিহাদ ও রাফিকে নিয়ে আরেক সহপাঠী বোরহান মিয়ার বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় হালকা বৃষ্টি শুরু হলে তারা বাড়ির পাশে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেয়। হঠাৎ বজ্রপাত হলে ফাহাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় তার সহপাঠী রাফিও আহত হয়।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ফাহাদকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রাফিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তাহমিনা আক্তার বলেন, দুপুরে বজ্রপাতে আহত অবস্থায় ফাহাদকে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
কসবা থানার ওসি নাজনীন সুলতানা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই স্বজনরা মরদেহ নিয়ে যান। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
What's Your Reaction?