বজ্রপাতের শব্দে নদীতে পড়ে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের সময় আতঙ্কিত হয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া কৃষক সাদেক মিয়ার (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর ১টার দিকে সুতাং নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত সাদেক মিয়া উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মোজাম্মিল মিয়ার ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেলে সাদেক মিয়া ও ফরাশ মিয়া দুই ভাই মিলে জমি থেকে ধান আনতে হাওরে যান। এর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত শুরু হলে তারা নৌকাযোগে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বজ্রপাতের শব্দ শুনে সাদেক মিয়া নদীতে ঝাপ দিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। খবর পেয়ে গ্রামের লোকজন উদ্ধার জন্য চেষ্টা চালায়। কিন্তু তার হদিস পাওয়া যায়নি। পরে লাখাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নিখোঁজ সাদেককে না পেয়ে উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিখোঁজ সাদেককে উদ্ধারে নামে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দূরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে। পরে ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে সাদেকের মরদেহ দেখতে পায়। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ

বজ্রপাতের শব্দে নদীতে পড়ে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের সময় আতঙ্কিত হয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া কৃষক সাদেক মিয়ার (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর ১টার দিকে সুতাং নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সাদেক মিয়া উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মোজাম্মিল মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেলে সাদেক মিয়া ও ফরাশ মিয়া দুই ভাই মিলে জমি থেকে ধান আনতে হাওরে যান। এর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত শুরু হলে তারা নৌকাযোগে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বজ্রপাতের শব্দ শুনে সাদেক মিয়া নদীতে ঝাপ দিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। খবর পেয়ে গ্রামের লোকজন উদ্ধার জন্য চেষ্টা চালায়। কিন্তু তার হদিস পাওয়া যায়নি।

পরে লাখাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নিখোঁজ সাদেককে না পেয়ে উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিখোঁজ সাদেককে উদ্ধারে নামে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দূরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে। পরে ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে সাদেকের মরদেহ দেখতে পায়।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, আমরা খবর পেয়েছি। নিখোঁজ সাদেকের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

বামৈ ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আজাদ হোসেন ফুরুক বলেন, সকাল থেকে ডুবুরি দল নিখোঁজ সাদেককে উদ্ধারে চেষ্টা করছিল। দুপুর ১টার দিকে নিখোঁজের স্থান থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে মানুষের মত কিছু একটা ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন।

নিখোঁজ সাদেকের ভাই ফরাশ মিয়া জানান, কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত দেখে তারা দ্রুত নৌকা চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় সাদেক নৌকার মাথায় একটি অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র মাথায় দিয়ে বসেছিলেন। হঠাৎ বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দে তিনি নদীতে পড়ে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow