বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রশংসায় ভাসলেন হাত-পা হারানো যুবক

বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন একটি হাত ও একটি পা হারানো চীনা যুবক। মঞ্চে তার উপস্থিতিতে দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালি দেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত হন। ৩২ বছর বয়সী পেশিবহুল লিউ সিনজু গত ১০ মে পূর্বাঞ্চলীয় শানডং প্রদেশের রাজধানী জিনানে অনুষ্ঠিত ২০তম বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। মঞ্চে তার পারফরম্যান্সের ভিডিও দ্রুত চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লিউর সাহস ও আত্মবিশ্বাসে অনুপ্রাণিত হন। পরে তিনি এনকারেজিং ব্রাদার নামে পরিচিতি পান। ১০ বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় লিউ তার ডান হাত ও ডান পা হারান। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সারাক্ষণ বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। এতে তার দৃষ্টিশক্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে কঠোর কথা বলে বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনেন। লিউর ভাষায়, তারা বলেছিলেন, তুমি কোনো কাজের নও। এরপর তিনি শরীরচর্চায় মনোযোগ দেন। কারণ দুর্ঘটনার আগেও তিনি একজন ক্রীড়াবিদ ছিলেন। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা সন্দেহ প্রকাশ করতেন, তাদের উদ্দেশে লিউ বলেন, আমি শুধু পড়ে গেছি, মারা যাইনি। কে

বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রশংসায় ভাসলেন হাত-পা হারানো যুবক

বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন একটি হাত ও একটি পা হারানো চীনা যুবক। মঞ্চে তার উপস্থিতিতে দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালি দেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত হন।

৩২ বছর বয়সী পেশিবহুল লিউ সিনজু গত ১০ মে পূর্বাঞ্চলীয় শানডং প্রদেশের রাজধানী জিনানে অনুষ্ঠিত ২০তম বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

মঞ্চে তার পারফরম্যান্সের ভিডিও দ্রুত চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লিউর সাহস ও আত্মবিশ্বাসে অনুপ্রাণিত হন। পরে তিনি এনকারেজিং ব্রাদার নামে পরিচিতি পান।

১০ বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় লিউ তার ডান হাত ও ডান পা হারান।

দুর্ঘটনার পর কিছু সময় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সারাক্ষণ বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। এতে তার দৃষ্টিশক্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে কঠোর কথা বলে বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনেন। লিউর ভাষায়, তারা বলেছিলেন, তুমি কোনো কাজের নও।

এরপর তিনি শরীরচর্চায় মনোযোগ দেন। কারণ দুর্ঘটনার আগেও তিনি একজন ক্রীড়াবিদ ছিলেন।

নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা সন্দেহ প্রকাশ করতেন, তাদের উদ্দেশে লিউ বলেন, আমি শুধু পড়ে গেছি, মারা যাইনি। কেন মনে করেন আমি আবার উঠে দাঁড়াতে পারবো না?

তিনি আরও বলেন, আমি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। কিন্তু আমার মন যতক্ষণ প্রতিবন্ধী না হবে, ততক্ষণ আমি সবসময় সুস্থ ও আনন্দে থাকব।

সাম্প্রতিক প্রতিযোগিতায় লিউ ৬৫ কেজি বা তার কম ওজনের বিভাগে অংশ নেন। তবে তিনি কী ফল করেছেন, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

লিউ বলেন, আমার বিভাগের প্রতিযোগীদের মধ্যে শানডং প্রদেশের দুজন চ্যাম্পিয়নও ছিলেন। শুনেছি তারা খুব কঠোর পরিশ্রম করেন। তাদের সঙ্গে একই মঞ্চে প্রতিযোগিতা করতে পারা আমার জন্য সম্মানের।

ইউ পদবির এক দর্শক বলেন, লিউ মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো হলজুড়ে করতালি শুরু হয়।

তিনি বলেন, এটাই তার জন্য সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি। আমরা সবাই তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধায় পূর্ণ।

ইউ আরও বলেন, লিউ সততা ও আশাবাদের প্রতীক। তার গল্প বহু মানুষের সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ আলোকিত করছে।

সূত্র: সাউথ চায়না মোর্নিং পোস্ট

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow