বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে অস্ট্রেলিয়াকে সতর্ক করল চীন
অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ থেকে সরে আসতে ক্যানবেরাকে সতর্ক করেছে চীন। দেশটিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত শিয়াও চিয়ান বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরের ইজারা বাতিল বা পরিবর্তনের চেষ্টা অনৈতিক এবং ব্যবসা পরিচালনার সঠিক উপায় নয়। খবর আল জাজিরার।
বুধবার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া বার্ষিক ব্রিফিংয়ে শিয়াও চিয়ান বলেন, লোকসানের সময় একটি বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দর ইজারা দেওয়া হয়, আর লাভজনক হলে সেটি ফেরত নিতে চাওয়া হচ্ছে। তিনি এ ধরনের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করেন।
চীনা ধনকুবের ইয়ে চেংয়ের মালিকানাধীন ল্যান্ডব্রিজ গ্রুপ ২০১৫ সাল থেকে ৯৯ বছরের ইজারায় ডারউইন বন্দর পরিচালনা করছে। শানদং প্রদেশভিত্তিক এই কোম্পানির সঙ্গে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ। তখন আশা করা হয়েছিল, বন্দর সম্প্রসারণের মাধ্যমে মূলত গ্রামীণ নর্দার্ন টেরিটরির অর্থনীতি চাঙা হবে।
তবে গত বছরের মে মাসে জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রচারণার সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ডারউইন বন্দরকে আবারও অস্ট্রেলীয় নিয়ন্ত্রণে আনার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি ব
অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ থেকে সরে আসতে ক্যানবেরাকে সতর্ক করেছে চীন। দেশটিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত শিয়াও চিয়ান বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরের ইজারা বাতিল বা পরিবর্তনের চেষ্টা অনৈতিক এবং ব্যবসা পরিচালনার সঠিক উপায় নয়। খবর আল জাজিরার।
বুধবার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া বার্ষিক ব্রিফিংয়ে শিয়াও চিয়ান বলেন, লোকসানের সময় একটি বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দর ইজারা দেওয়া হয়, আর লাভজনক হলে সেটি ফেরত নিতে চাওয়া হচ্ছে। তিনি এ ধরনের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করেন।
চীনা ধনকুবের ইয়ে চেংয়ের মালিকানাধীন ল্যান্ডব্রিজ গ্রুপ ২০১৫ সাল থেকে ৯৯ বছরের ইজারায় ডারউইন বন্দর পরিচালনা করছে। শানদং প্রদেশভিত্তিক এই কোম্পানির সঙ্গে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ। তখন আশা করা হয়েছিল, বন্দর সম্প্রসারণের মাধ্যমে মূলত গ্রামীণ নর্দার্ন টেরিটরির অর্থনীতি চাঙা হবে।
তবে গত বছরের মে মাসে জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রচারণার সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ডারউইন বন্দরকে আবারও অস্ট্রেলীয় নিয়ন্ত্রণে আনার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, এই স্থাপনাটি কোনো স্থানীয় কোম্পানি বা সরাসরি সরকারের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিত।
চীনা রাষ্ট্রদূত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অস্ট্রেলিয়া সরকার যদি জোরপূর্বক ইজারা চুক্তি পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তাহলে বেইজিং ল্যান্ডব্রিজের স্বার্থ রক্ষায় পদক্ষেপ নেবে। তিনি কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।
এদিকে পূর্ব তিমুর সফরকালে বুধবার চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ আবারও জানান, ডারউইন বন্দর অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে আসবে না।