বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানায় ৫৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা
দীর্ঘদিন ধরে লোকসান, উৎপাদনহীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে বন্ধ বা অচল হয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অব্যবহৃত শিল্পভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে ৪৪টি বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এ উদ্যোগে ১০ হাজার একরের বেশি শিল্পভূমি এবং প্রায় ৫৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকার সম্ভাব্য বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি হয়েছে, যা দেশের শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন (বিসিআইসি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) ও বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করেছে। বিডার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে স্টেট ওউন ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও; যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক অবস্থা প্রকাশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোত
দীর্ঘদিন ধরে লোকসান, উৎপাদনহীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে বন্ধ বা অচল হয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অব্যবহৃত শিল্পভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে ৪৪টি বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এ উদ্যোগে ১০ হাজার একরের বেশি শিল্পভূমি এবং প্রায় ৫৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকার সম্ভাব্য বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি হয়েছে, যা দেশের শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন (বিসিআইসি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) ও বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করেছে। বিডার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে স্টেট ওউন ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও; যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক অবস্থা প্রকাশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এই উদ্যোগকে দেশের শিল্পায়নের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি নিজের লিংকডইন পোস্টে তিনি বলেছেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বেসরকারি খাতই সবচেয়ে উপযুক্ত। সরকারের কাজ ব্যবসা পরিচালনা নয়, বরং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা। এজন্য রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হবে।
বিডার ওয়েবসাইটে থাকা পোর্টফোলিও অনুযায়ী, বিনিয়োগের জন্য চিহ্নিত স্থাপনাগুলোর বড় অংশই দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত। এগুলো কেবল খালি জমি নয় বরং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগসহ পূর্ণাঙ্গ শিল্প অবকাঠামোসমৃদ্ধ ব্রাউনফিল্ড সম্পদ। ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি সংযোগ বা অবকাঠামো নির্মাণে সময় ও অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না। বিনিয়োগকারীরা প্রস্তুত অবকাঠামো বা ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ সুবিধা ব্যবহার করে দ্রুত উৎপাদনে যেতে পারবেন।
পোর্টফোলিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিনিয়োগের সুযোগ সীমাবদ্ধ থাকছে না কেবল ঐতিহ্যগত শিল্পে। কেমিক্যাল, সার, ইস্পাত, বস্ত্র, চিনি, পাট ও খাদ্যশিল্পের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যান (ইভি), লিথিয়াম ব্যাটারি, সেমিকন্ডাক্টর, মাইক্রোচিপ, এপিআই, সোলার গ্লাস, সোলার প্যানেল, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ড স্টোরেজ, লজিস্টিক হাব, আধুনিক কাগজ শিল্প এবং পরিবেশবান্ধব ভারী শিল্পেও বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনেই সবচেয়ে বড় শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
খুলনার নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিলস কমপ্লেক্সে ৪৭.২৭৫ একর জমির আর্থিক মূল্য ধরা হয়েছে ৫৬৪.৯৬ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম কেমিক্যাল কমপ্লেক্সের ৯১.১৯ একর জমির মূল্য ১৯০.৮১ কোটি টাকা এবং সাভারের ঢাকা লেদার কোম্পানির ১৮ একর জমির মূল্য ২৬৪.১৬ কোটি টাকা।
এছাড়া আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানির ১৯৭ একর, কর্ণফুলী পেপার মিলসের এক হাজার ৭০০ একরের বেশি জমি এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অব্যবহৃত শিল্প ভূমি নতুন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিসিআইসির প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন টিএসপি সার কারখানা, ক্লোর-অ্যালকালি ও পিভিসি প্ল্যান্ট, লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন, এপিআই ও স্টার্চ কমপ্লেক্স, আধুনিক চামড়া শিল্প, ফ্লোট গ্লাস ও সোলার গ্লাস কারখানার মতো উচ্চমূল্যের শিল্প স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর সম্ভাব্য আর্থিক রিটার্ন ১২ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে পোর্টফোলিওতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতাধীন চিনিকলগুলোতেও বড় ধরনের রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো বর্তমানে দেশের মোট চিনির চাহিদার মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ সরবরাহ করতে পারছে। এই সীমাবদ্ধতাকে সুযোগ হিসেবে দেখছে সরকার। চিনি শিল্পের আধুনিকায়নের পাশাপাশি এথানল, বায়োগ্যাস, কর্নস্টার্চ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ডেইরি, কোল্ড স্টোরেজ এবং কৃষি-লজিস্টিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু সেতাবগঞ্জ সুগার মিলসের জমির পরিমাণই প্রায় ৩ হাজার ৮৬০ একর, আর ঠাকুরগাঁও সুগার মিলসের রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৮৮৭ একর জমি।
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের (বিএসইসি) আওতায়ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজে বৈদ্যুতিক যানবাহন ও সিকেডি অ্যাসেম্বলি, জেমকোতে পাওয়ার ট্রান্সফর্মার উৎপাদন, অ্যাটলাস বাংলাদেশে ইভি টু-হুইলার ও ব্যাটারি সংযোজন শিল্প স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে বগুড়ায় ১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে বছরে ৩ লাখ টন উৎপাদনক্ষম পরিবেশবান্ধব আধুনিক স্টিল মিল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা উত্তরাঞ্চলের প্রথম বৃহৎ স্টিল শিল্প হতে পারে।
শুধু শিল্প নয়, কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদকে বাণিজ্যিক ও সেবা খাতেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। খুলনা টেক্সটাইল মিলসের ২২.৩৯ একর জমিতে আন্তর্জাতিক মানের থিম পার্ক, ওয়াটার পার্ক, রিসোর্ট ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের নো-ভিউ গেস্ট হাউসের জমিতে হাসপাতাল, পাঁচ তারকা হোটেল, বাণিজ্যিক ভবন বা আবাসন প্রকল্প এবং খুলনার নদীতীরবর্তী জোন অফিস এলাকায় হাসপাতাল বা কমিউনিটি কমপ্লেক্স নির্মাণের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল ও বস্ত্রকলগুলোতেও বড় ধরনের সংস্কার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি লিজের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১৪টি মিল বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হয়েছে, যার মধ্যে দুটি পরিচালনা করছে বিদেশি বিনিয়োগকারী। অন্যদিকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের ২৫টি মিলের মধ্যে ১৬টি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের জন্য নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে এবং কয়েকটি মিল এরই মধ্যে বেসরকারি অংশীদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার যৌথ উদ্যোগ (জেভি), পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এবং দীর্ঘমেয়াদি লিজিং- এই তিন মডেল প্রস্তাব করছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোকে ইক্যুইটি হিসেবে দেবে, আর বেসরকারি অংশীদাররা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সরবরাহ করবে। পিপিপির আওতায় ৩০ বছর মেয়াদি নবায়নযোগ্য চুক্তি, ভ্যাট সুবিধা এবং ৩৬ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। লিজ মডেলেও দীর্ঘমেয়াদি সময়, দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ এবং দ্রুত অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
তবে পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে পোর্টফলিওতে বলা হয়েছে। কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত মিলে মামলা জটিলতা রয়েছে।
বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর ভাষায়, রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলোকে অলস ফেলে রাখার সময় শেষ। বিদ্যমান অবকাঠামো, শিল্পভিত্তিক জনবল এবং কৌশলগত অবস্থান কাজে লাগিয়ে এগুলোকে আবারও উৎপাদনমুখী করা সম্ভব। সরকারের লক্ষ্য, এসব ব্রাউনফিল্ড সম্পদকে নতুন প্রযুক্তি ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এমন শিল্পে রূপান্তর করা, যা একদিকে আমদানি নির্ভরতা কমাবে, অন্যদিকে রপ্তানি সক্ষমতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের নতুন ভিত্তি তৈরি করবে।
সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, পিপিপি, যৌথ উদ্যোগ বা দীর্ঘমেয়াদি ইজারার মাধ্যমে এসব কারখানার ১০ হাজার একরের বেশি শিল্প ভূমি ব্যবহার করা বেসরকারি খাতের জন্য একটি বড় সুযোগ। নতুন জমি অধিগ্রহণের ঝামেলা না থাকায় ম্যানমেইড ফাইবারজাত পোশাকশিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি (যেমন: বায়োডিগ্রেবল প্লাস্টিক পণ্য, খেলনা, পাট ও পাটজাত পণ্য, গ্রিন টেক্সটাইল ইত্যাদি) খাতে দ্রুত দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে।
ডিসিসিআই সভাপতির ভাষ্যমতে, এই প্রক্রিয়া সফল করতে হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, সরকারের প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তার পাশাপাশি কম সুদে অর্থায়ন এবং ইউটিলিটি সেবাসহ জ্বালানি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ দেশের শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর জাগো নিউজকে বলেন, এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। অনেক খাতেই বিনিয়োগ আসবে।
তিনি বলেন, এখানে দুটি উপকার হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে, নিজেদের অর্থে পরিচালিত হবে। এবং জনগণের করের অর্থ অপচয় হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ায় এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সেবার মান আরও বাড়বে।
ড. মাহফুজ কবীর বলেন, সম্প্রতি চীন বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগের বড় হাব হতে পারে। খুব বেশি বিদেশি বিনিয়োগ না এলেও বিনিয়োগ আসার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তিনি বলেন, সরকার বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন ও ইজ অব ডুইং বিজনেসে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে বিনিয়োগগুলো যেন কোনো অদক্ষতায় ব্যর্থ না হয়। অদক্ষতা ও দুর্নীতি কমাতে পারলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মানুষ উপকার পাবে।
এসএম/এমআইএইচএস/এমএমএআর
What's Your Reaction?





