বন্ধুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা, আটক ৫

মাগুরায় এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। ওই যুবকের গলাকাটা লাশ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলা গ্রামের বটতল নামক এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ মে) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু শাহিদুল ইসলামসহ ৫ যুবককে আটক করেছে। আটকরা হলেন- বোয়ালমারী উপজেলার আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা, একই উপজেলার পংকজ সাহার ছেলে তপু শাহা, বরিউরের বন্ধু শাহিদুল, শাহিদুলের জামাইয়ের চাচা হানিফ ও জামাই শহিদুলের মাতুব্বর।  নিহত যুবক রবিউল ইসলাম (৩৫) মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা এবং গোলাম সারোয়ারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পাওয়ার ট্রিলার চালক ছিলেন। এ হত্যার ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর জেলা পুলিশের সার্কেল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার একটি নির্জন স্থানে থামে। পরে গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা এগিয়ে গেলে মাইক্রোবাসটি পালানোর চেষ্টা করে। এসময় এলাকাবা

বন্ধুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা, আটক ৫
মাগুরায় এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধুর বিরুদ্ধে। ওই যুবকের গলাকাটা লাশ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলা গ্রামের বটতল নামক এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ মে) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু শাহিদুল ইসলামসহ ৫ যুবককে আটক করেছে। আটকরা হলেন- বোয়ালমারী উপজেলার আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা, একই উপজেলার পংকজ সাহার ছেলে তপু শাহা, বরিউরের বন্ধু শাহিদুল, শাহিদুলের জামাইয়ের চাচা হানিফ ও জামাই শহিদুলের মাতুব্বর।  নিহত যুবক রবিউল ইসলাম (৩৫) মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা এবং গোলাম সারোয়ারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পাওয়ার ট্রিলার চালক ছিলেন। এ হত্যার ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর জেলা পুলিশের সার্কেল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার একটি নির্জন স্থানে থামে। পরে গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা এগিয়ে গেলে মাইক্রোবাসটি পালানোর চেষ্টা করে। এসময় এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে গাড়িটি উল্টে যায়। এরপর গাড়িতে থাকা কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করে। পরে স্থানীয়রা বস্তার মুখ খুলে ভেতরে এক যুবকের মরদেহ দেখতে পান। মরদেহটির গলাকাটা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং আটক দুইজনকে হেফাজতে নেয়। উদ্ধারকৃত মাইক্রোবাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ ১৫-৬১৫৮। এদিকে নিহতের পরিবার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে রবিউলকে তার বন্ধু একই গ্রামের হাফেজ মোল্যার ছেলে শাহিদুল বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামে তার জামাই বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে একটি পাওনা মোটরসাইকেল নিয়ে শাহিদুলের জামাইয়ের শহিদুলের সঙ্গে রবিউলের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা রবিউলকে ঘরে আটকিয়ে রাখে। বরিউলকে রেখে শাহিদুল চলে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে খবর পেলাম রবিউলকে কে বা কারা হত্যা করেছে। মূলত আমার ছেলেকে শাহিদুল ও তার জামাই শহিদুল পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। বোয়ালমারী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন লাশ উদ্ধার ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তের জন্য ফরিদপুর পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow