বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ

লামা বন বিভাগের আওতায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে লামা বন বিভাগের রেস্ট হাউস চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম। সভাপতিত্ব করেন লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লামা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ, লামা বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মাসুদ আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম কবির উদ্দিন, ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুর রহমান ও মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সামাজিক বনায়নের অংশীদার, বন্যহাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন এবং বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।বন বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্যহাতি দ্বারা আক্রান্ত মানুষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ ও ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২১ জনকে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। এই বন বিভাগের আওতায় সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে মাতাম

বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ

লামা বন বিভাগের আওতায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে লামা বন বিভাগের রেস্ট হাউস চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম। সভাপতিত্ব করেন লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লামা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ, লামা বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মাসুদ আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম কবির উদ্দিন, ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুর রহমান ও মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মালেক সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, সামাজিক বনায়নের অংশীদার, বন্যহাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন এবং বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বন বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্যহাতি দ্বারা আক্রান্ত মানুষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ ও ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২১ জনকে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। এই বন বিভাগের আওতায় সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে মাতামুহুরী রেঞ্জের আলীকদম বিটে ক্রাইক্ষ্যং ও চিতারঝিরি এলাকায় ২০০৪ ও ২০০৫ অর্থবছরে সৃজিত ৫০ হেক্টর ব্লকউড ব্লক এ-১ ও এ-২ বাগানের ৫০ জন উপকারভোগী এবং ২০০৪ ও ২০০৫ অর্থবছরে সৃজিত ৫০ হেক্টর ব্লকউড ব্লক এ-৩ ও এ-৪ বাগানের ৪ জন উপকারভোগীর মাঝে লভ্যাংশ বাবদ মোট ৬৮ লাখ ৭৫ হাজার ৩২৬ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বন্যহাতি সংরক্ষণ ও মানুষ-হাতির সহাবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম। তিনি বলেন, হাতিকে আঘাত না করলে হাতি কখনো মানুষকে আঘাত করে না। কখনো শুনেছেন বন বিভাগের কোনো স্টাফকে বন্য প্রাণী আঘাত করেছে কিনা? হাতি মানুষের জায়গায় আসেনি, আমরা মানুষ হাতির আবাসস্থলে গিয়েছি। পৃথিবীকে মানুষের আবাদযোগ্য রাখতে হলে বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ আমাদের রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক বনায়নে অংশীদার হয়ে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তিনি প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভা শেষে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক বিতরণ করা হয়। এতে উপকারভোগীরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow