বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করছে সব বাহিনী

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার ও প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা মানুষও যাতে ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বাদ না পড়েন, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।   অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। তিনি বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করছে সব বাহিনী

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার ও প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা মানুষও যাতে ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বাদ না পড়েন, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করছে সব বাহিনী 

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা, মানুষের দুর্ভোগ ও ত্রাণ বিতরণের বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা চলছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোতে ত্রাণ সহায়তা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো দুর্গত পরিবার যাতে সহযোগিতার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।

এমআরএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow