বন্যার ঝুঁকিতে এক শহরের অর্ধেক মানুষকে সরাল মরক্কো
মরক্কোয় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যার হুমকি দেখা দেওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর কাসার এল-কেবির থেকে ৫০ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। খবর রয়টার্সের। রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লুক্কোস নদীর পানি দ্রুত বেড়ে আশপাশের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে মানুষজনকে শহর ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা হিশাম আজতু জানান, শহরটি এখন প্রায় ফাঁকা। সব দোকানপাট ও বাজার বন্ধ রয়েছে। অনেক মানুষ নিজেরাই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন, বাকিদের কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নিয়েছে। বন্যার ঝুঁকির কারণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী শিবির খোলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরের কাছে থাকা উয়েদ মাখাজিন বাঁধ পুরোপুরি ভরে যাওয়ায় অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দিতে হচ্ছে। এই পানিও বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। মরক্কোর সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছ
মরক্কোয় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যার হুমকি দেখা দেওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর কাসার এল-কেবির থেকে ৫০ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। খবর রয়টার্সের।
রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লুক্কোস নদীর পানি দ্রুত বেড়ে আশপাশের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে মানুষজনকে শহর ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হিশাম আজতু জানান, শহরটি এখন প্রায় ফাঁকা। সব দোকানপাট ও বাজার বন্ধ রয়েছে। অনেক মানুষ নিজেরাই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন, বাকিদের কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নিয়েছে।
বন্যার ঝুঁকির কারণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী শিবির খোলা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরের কাছে থাকা উয়েদ মাখাজিন বাঁধ পুরোপুরি ভরে যাওয়ায় অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দিতে হচ্ছে। এই পানিও বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
মরক্কোর সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। সেনাসদস্য, চিকিৎসক দল, ট্রাক ও অন্যান্য সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। বাস ও ট্রাকের মাধ্যমে মানুষজনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আটকেপড়া মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে দেশের অন্য এলাকাতেও নদীর পানি বাড়ছে। সেবু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিদি কাসেম অঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, টানা সাত বছর খরার পর মরক্কোয় এবার ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে খরা কাটলেও এখন বন্যা, নদীভাঙন ও বাঁধ উপচে পড়ার মতো নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।
What's Your Reaction?