বরগুনার আমতলীতে জমিজমা বিরোধের দ্বন্দ্বে নিহত ১, গ্রেফতার ৩

বরগুনার আমতলী উপজেলার ৪নং হলদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কালিগঞ্জ গ্রামের বাহালি বাড়িতে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে জহিরুল শিকদার (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১০ ঘটিকায় আফসের মাস্টার বাড়ির উত্তর পাশের বিলে ১৬ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপন ভাই মুনসুর শিকদার ও ফরিদ শিকদারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা হলেও অভিযুক্ত মুনসুর শিকদার (বাহালী) তা কখনই মানতে চাননি। আজ ফরিদ শিকদার জমি চাষ করতে গেলে তাকে বাধা দেন ভাই মুনসুর শিকদার। একপর্যায়ে দু'জনের মধ্যে হাতাহাতি মারামারি শুরু হলে তা দেখে চাচাতো ভাই জহিরুল শিকদার মারামারি থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় মুনসুর শিকদার (বাহালী) গরু জবাই করার ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করে তাকে গুরুতর জখম করেন।গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, নিহত জহিরুল শিকদারকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার বুক ও পেটের মাঝ বরাবর ছুরির আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,

বরগুনার আমতলীতে জমিজমা বিরোধের দ্বন্দ্বে নিহত ১, গ্রেফতার ৩

বরগুনার আমতলী উপজেলার ৪নং হলদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কালিগঞ্জ গ্রামের বাহালি বাড়িতে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে জহিরুল শিকদার (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১০ ঘটিকায় আফসের মাস্টার বাড়ির উত্তর পাশের বিলে ১৬ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপন ভাই মুনসুর শিকদার ও ফরিদ শিকদারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা হলেও অভিযুক্ত মুনসুর শিকদার (বাহালী) তা কখনই মানতে চাননি। আজ ফরিদ শিকদার জমি চাষ করতে গেলে তাকে বাধা দেন ভাই মুনসুর শিকদার।

একপর্যায়ে দু'জনের মধ্যে হাতাহাতি মারামারি শুরু হলে তা দেখে চাচাতো ভাই জহিরুল শিকদার মারামারি থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় মুনসুর শিকদার (বাহালী) গরু জবাই করার ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করে তাকে গুরুতর জখম করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, নিহত জহিরুল শিকদারকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার বুক ও পেটের মাঝ বরাবর ছুরির আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিকভাবে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নিহত জহিরুল শিকদার মৃত্যুকালে ১ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন।

খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত মুনসুর শিকদার বাহালী (৬০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৫৫) ও তার ভাই ফরিদ শিকদার (৫০) কে আটক করে।

সহকারী পুলিশ সুপার মো: তরিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি জব্দ করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow