বরগুনার তালতলীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বরগুনার তালতলী উপজেলায় ঘর থেকে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পরিবার। নিহত শিক্ষার্থী স্বাধীন দাস (১৬) তালতলীর ছোট বগী ইউনিয়নের তালতলী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রদীপ দাসের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে নিহত স্বাধীন দাসের নানি কিরণ বালার বাড়িতে এসে তাকে ডাকাডাকি করেন। ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি লাঠি দিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের সামনের বারান্দায় নাতি স্বাধীনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। নিহতের মা কাকলী রানী দাস কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, স্বাধীনের সঙ্গে তার মামা শুভ অধিকারীর শ্যালিকা টুম্পা নামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে তিনি জানতে পারেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ছেলেকে নিষেধ করেছিলেন। তার ধারণা, এই বিষয়টি নিয়ে মানসিক চাপে থেকেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়। এ বিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে,সুরাতহাল রিপোর্ট শেষে নিহতের মরদেহ ময়নতন্ত্রের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
বরগুনার তালতলী উপজেলায় ঘর থেকে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পরিবার। নিহত শিক্ষার্থী স্বাধীন দাস (১৬) তালতলীর ছোট বগী ইউনিয়নের তালতলী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রদীপ দাসের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে নিহত স্বাধীন দাসের নানি কিরণ বালার বাড়িতে এসে তাকে ডাকাডাকি করেন। ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি লাঠি দিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের সামনের বারান্দায় নাতি স্বাধীনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহতের মা কাকলী রানী দাস কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, স্বাধীনের সঙ্গে তার মামা শুভ অধিকারীর শ্যালিকা টুম্পা নামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে তিনি জানতে পারেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ছেলেকে নিষেধ করেছিলেন। তার ধারণা, এই বিষয়টি নিয়ে মানসিক চাপে থেকেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়। এ বিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে,সুরাতহাল রিপোর্ট শেষে নিহতের মরদেহ ময়নতন্ত্রের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
What's Your Reaction?