বরগুনার তালতলীতে নিখোঁজের ১০ ঘণ্টা পর খাল থেকে কিশোর জেলের মরদেহ উদ্ধার

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইঁদুপাড়া এলাকায় এক কিশোর জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল ২২ জুন নিখোঁজের প্রায় ১০ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনাকাটা-ইকোপার্ক সংলগ্ন খাল থেকে মুসা (১৭) নামের ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড ও পুলিশ। নিহত মুসা ফকিরহাট এলাকার একটি জেলে ট্রলারে সাগরে মাছ ধরার কাজ করতেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে মুসা ইঁদুপাড়া এলাকার একটি খালে গোসল করতে নামেন। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে তিনি নিখোঁজ হন। দুপুরের পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ না পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয়রা খালে তল্লাশি শুরু করেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রাত ১০টার দিকে খালের পাশে নোঙর করা একটি বালুবাহী জাহাজের নিচে তাঁর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ফকিরহাট স্টেশনের কোস্ট গার্ড সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি পানি থেকে উদ্ধার করেন। পরে তালতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ থানায় নিয়ে আসে। নিহত মুসার মা পাখি বেগম বুক ফাটা আর্তনাদ করে বলেন,আমার ছেলে চার দিন আগে আমার

বরগুনার তালতলীতে নিখোঁজের ১০ ঘণ্টা পর খাল থেকে কিশোর জেলের মরদেহ উদ্ধার

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইঁদুপাড়া এলাকায় এক কিশোর জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল ২২ জুন নিখোঁজের প্রায় ১০ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনাকাটা-ইকোপার্ক সংলগ্ন খাল থেকে মুসা (১৭) নামের ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড ও পুলিশ।

নিহত মুসা ফকিরহাট এলাকার একটি জেলে ট্রলারে সাগরে মাছ ধরার কাজ করতেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে মুসা ইঁদুপাড়া এলাকার একটি খালে গোসল করতে নামেন। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে তিনি নিখোঁজ হন। দুপুরের পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ না পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয়রা খালে তল্লাশি শুরু করেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রাত ১০টার দিকে খালের পাশে নোঙর করা একটি বালুবাহী জাহাজের নিচে তাঁর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে ফকিরহাট স্টেশনের কোস্ট গার্ড সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি পানি থেকে উদ্ধার করেন। পরে তালতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ থানায় নিয়ে আসে।

নিহত মুসার মা পাখি বেগম বুক ফাটা আর্তনাদ করে বলেন,আমার ছেলে চার দিন আগে আমার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনটি নিয়ে দুলালের ট্রলারে কাজ করতে যায়। যাওয়ার সময় বলেছিল— 'মা, তোমার মোবাইল ফোনটি আমি নিয়ে যাচ্ছি। তিন-চার দিনের মধ্যে ফিরে এসে তোমাকে দিয়ে দেব। এরপর হঠাৎ খবর পাই সে খালে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়েছে।তিনি আরও বলেন আমি আমার সন্তানের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং এর পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

এদিকে কিশোর জেলের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow